চাষাবাদ শহর

আর রাসায়নিক সার নয়, খাবারেও বদল আনছে পরিবর্তনের সরকার

জমিতে যথেচ্ছ রাসায়নিক সার আর কীটনাশক ব্যবহারের ফলে নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাচ্ছে মাটির উর্বরতা, বিঘ্নিত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। প্রাকৃতিক উপায়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ডাক দিয়ে পুরুলিয়ার রবীন্দ্র ভবনে আয়োজন করা হয়েছিল একদিনের একটি বিশেষ কর্মশালা।
আর রাসায়নিক সার নয়, খাবারেও বদল আনছে পরিবর্তনের সরকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

জমিতে যথেচ্ছ রাসায়নিক সার আর কীটনাশক ব্যবহারের ফলে নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাচ্ছে মাটির উর্বরতা, বিঘ্নিত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য।  প্রাকৃতিক উপায়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ডাক দিয়ে পুরুলিয়ার রবীন্দ্র ভবনে আয়োজন করা হয়েছিল একদিনের একটি বিশেষ কর্মশালা।
জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ৪০০ জন কৃষক এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। কীভাবে রাসায়নিকের ব্যবহার কমিয়ে সম্পূর্ণ জৈব ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফলন বাড়ানো সম্ভব, তা হাতে-কলমে শিখিয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। উক্ত কর্মশালায় কৃষি দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়করাও। তারা কৃষকদের এই আধুনিক অথচ পরিবেশবান্ধব চাষ পদ্ধতিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাগাতার রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে একদিকে যেমন মানবস্বাস্থ্যের দফারফা হচ্ছে, অন্যদিকে মাটির নিজস্ব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই সংকটজনক পরিস্থিতি রুখতে প্রাকৃতিক চাষই এখন একমাত্র বিকল্প।

এই মহতী উদ্যোগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে  কৃষি দপ্তরের আধিকারিক অভিজিৎ মণ্ডল এই অভিযানের সাফল্য এবং আগামী দিনের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন, "পুরুলিয়া রবীন্দ্র ভবনে জেলা পর্যায়ের এই কর্মশালাটি অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং কৃষকদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ দেখা গেছে। তবে আমরা শুধু জেলা সদরেই থমকে থাকতে চাই না। প্রাকৃতিক চাষের এই বার্তা একদম তৃণমূল স্তরের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই কারণে আগামী দিনে জেলার প্রতিটি ব্লকে ব্লকে এই ধরণের বিশেষ কর্মশালা আয়োজন করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছে দপ্তর।"