সাধারণ খবর ব্লক

বান্দোয়ানের গ্রামে অস্ত্র নিয়ে কি লুকিয়েছে কেউ? কী বলছেন অ্যাডিশনাল এসপি?

ঝাড়খণ্ড সীমান্তের গ্রামে অস্ত্র নিয়ে কেউ আত্মগোপন করে থাকতে পারে কেউ। সন্দেহজনক কিছু নজর এলে তৎক্ষণাৎ পুলিশকে জানাতে হবে। একদা মাও উপদ্রুত বান্দোয়ানের প্রত্যন্ত গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি এই বার্তাই দিলেন পুলিশ আধিকারিকরা।
বান্দোয়ানের গ্রামে অস্ত্র নিয়ে কি লুকিয়েছে কেউ? কী বলছেন অ্যাডিশনাল এসপি?

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দোয়ান :

ঝাড়খণ্ড সীমান্তের গ্রামে অস্ত্র নিয়ে কেউ আত্মগোপন করে থাকতে পারে কেউ।  সন্দেহজনক কিছু নজর এলে তৎক্ষণাৎ পুলিশকে জানাতে হবে। একদা মাও উপদ্রুত বান্দোয়ানের প্রত্যন্ত গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি এই বার্তাই দিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশ মানে ভয় নয়, বন্ধু। জেলায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজের নেতৃত্বে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে জনসংযোগ বাড়াতে বিশেষ তৎপরতা দেখাচ্ছে জেলা পুলিশ। কারণ এখন ভয় আউট ভরসা ইন। গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে পুলিশের জরুরি ফোন নং সম্বলিত স্লিপ।


শুক্রবার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী বান্দোয়ান থানার একাধিক গ্রামে বিশেষ এলাকা নিয়ন্ত্রণ ও খাটিয়া বৈঠক-এর মাধ্যমে তেমনই জনসংযোগমূলক অভিযান চালালো পুলিশ। বান্দোয়ানের প্রত্যন্ত  রাজগ্রাম, চৌড়া, কুলডাঙা, সাতারা, বুরুডিহ, চিরাগাজার এবং আমঝরনার মতো সীমান্ত-ঘেঁষা গ্রামগুলিতে গৃহীত হয় এই কর্মসূচি। অভিযান চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করেন। গ্রামের সামগ্রিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্থানীয় নানা সমস্যা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়। একই সাথে এলাকা থেকে জরুরি তথ্য ও কম্যুনিটি ইন্টেলিজেন্স সংগ্রহ করা হয়।

অ্যাডিশনাল এসপি বিদ্যাগর অজিঙ্ক অনন্ত গ্রামবাসীদের উদ্দেশে বলেন, "বান্দোয়ানের এই গ্রামগুলি থানা সদর থেকে অনেকটাই দূরে। প্রত্যন্ত এইসব ঝাড়খণ্ড সীমান্তের গ্রামে কোন অসাধু ব্যক্তি হয়তো অস্ত্র নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তেমন কোন সন্দেহজনক কিছু দেখলেই তৎক্ষণাৎ পুলিশে জানান। আমরা আপনাদের হাতে আমাদের ফোন নং দ্ব্যে গেলাম।"
এই বিশেষ  অভিযানে অ্যাডিশনাল এসপি অপারেশন বিদ্যাগর অজিঙ্ক অনন্ত ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মানবাজারের এসডিপিও শাশ্বতী শ্বেতা সামন্ত, বান্দোয়াননের ওসি মৃন্ময় ভক্ত প্রমুখ।