ক্রাইম শহর

কী খাচ্ছেন? মশলা না বি*ষ?পুরুলিয়ায় পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা দফতর ফাঁস করল বিরাট চক্র

মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক ও বিষাক্ত রং মিশিয়ে বাজারে বিক্রির এক ঘৃণ্য চক্রান্ত ফাঁস করেছে এফএসএসএআই এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। যৌথ অভিযানের পর পুরুলিয়া শহরেরই অমলেশ পল্লীর কারখানায় কাজ করা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।
কী খাচ্ছেন? মশলা না বি*ষ?পুরুলিয়ায় পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা দফতর ফাঁস করল বিরাট চক্র

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

জনস্বাস্থ্যকে তোয়াক্কা না করে মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক ও বিষাক্ত রং মিশিয়ে বাজারে বিক্রির এক ঘৃণ্য চক্রান্ত ফাঁস করেছে এফএসএসএআই এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। যৌথ অভিযানের পর পুরুলিয়া শহরেরই অমলেশ পল্লীর কারখানায় কাজ করা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।

কারখানায় রঙ ও উপাদান কীভাবে মেশানো হতো এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দোকানের কর্মচারী রাকেশ বাউরী   জানান,  "এই ধরনের মিশ্রণের জন্য আলাদা লোক বা  মিস্ত্রি রয়েছে।  তারা মূলত দেওয়াল পেইন্টিং বা পুটিংয়ের কাজ করেন। অনিল বাবু নামের এক ব্যবসায়ীর অধীনে কাজ করছেন তারা। "

অন্য এক কর্মী বংশী বলেন," আমি গত ৮-৯ বছর ধরে এখানে কর্মরত। আমরা কেবল মেশিনে প্রস্তুত হওয়া মশলা প্যাকেটিং করার পর ঘরের ভেতর গুদামজাত করার কাজ করি, সেখানে হাত দিয়ে সরাসরি কিছু মেশানো হতো না। " মশলায় বিষাক্ত রং মেশানোর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে তা অস্বীকার করে বলেন, "এখানে রং মিক্স হয়নি।"

কর্মীদের জবানবন্দি অনুযায়ী, এই পুরো কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছেন "অনিল বাবু" নামে এক ব্যক্তি যাঁকে অমলেশ পল্লী এলাকার বাসিন্দা বলে দাবি করা হচ্ছে।

ভেজাল ও ক্ষতিকারক মশলা তৈরির এই চক্রে মালিক 'অনিল বাবু' সহ আর কারা যুক্ত রয়েছে এবং এই বিষাক্ত মশলা বাজারের কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হতো, তা খতিয়ে দেখতে এফএসএসএআই ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।