রাজনীতি শহর

কেন কমছে না বালির দাম? জেলা শাসক দপ্তরে বিক্ষোভ এসইউসিআই-র

বক্তারা অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে স্মার্ট মিটার বসানো এবং সস্তা দামে বালি না মেলায় সাধারণ মানুষের গৃহনির্মাণ থমকে যাওয়ার মতো বিষয়গুলি নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।
কেন কমছে না বালির দাম? জেলা শাসক দপ্তরে বিক্ষোভ এসইউসিআই-র

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

রাজ্যে সদ্য ক্ষমতা বদল হয়েছে, কিন্তু পুরুলিয়া জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের জ্বলন্ত সমস্যাগুলো যে এতটুকুও কমেনি, শুক্রবার জেলা শাসক  দপ্তরের সামনে এসউইসিআই এর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে তারই প্রতিফলন দেখা গেল। একগুচ্ছ স্থানীয় সমস্যা নিয়ে নতুন প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে শুক্রবার কোমর বেঁধে মাঠে নামল বামপন্থী এই সংগঠনটি।

পশুহাট পুনরায় চালু করা থেকে শুরু করে স্মার্ট মিটার প্রত্যাহার  জেলাবাসীর জীবন-জীবিকা স্তব্ধ করে দেওয়া মোট ৯টি  দাবি নিয়ে এদিন সরব হন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার পুরুলিয়া শহরের জুবিলি ময়দান থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের একটি বিশাল মিছিল স্লোগানে  শহর পরিক্রমা করে ডিএম দপ্তরের সামনে এসে জড়ো হয়। নতুন সরকারের সূচনালগ্নেই প্রশাসনের সদর দপ্তরের সামনে এই বিক্ষোভ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

ডিএম দপ্তরের মূল গেটের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সভায় প্রশাসনের উদাসীনতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন দলের ছাত্র সংগঠনের জেলা সভাপতি তন্ময় মহাপাত্র এবং জেলা কমিটির সদস্য দীপক কুমার।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে স্মার্ট মিটার বসানো এবং সস্তা দামে বালি না মেলায় সাধারণ মানুষের গৃহনির্মাণ থমকে যাওয়ার মতো বিষয়গুলি নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। এসআইআর  স্ক্রিনিংয়ের নামে বৈধ ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা। অবিলম্বে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় ফেরাতে হবে, এই দাবিও তোলা হয়।


ছাত্র সংগঠনের জেলা সভাপতি তন্ময় মহাপাত্র জানান,"প্রশাসন যদি দ্রুত এই দাবিগুলো নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না করে, তবে আগামী দিনে পুরুলিয়া আরও বড় আন্দোলনের সাক্ষী থাকবে।"

দীর্ঘক্ষণ গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর, দলের জেলা কমিটির সদস্য তথা বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের ৯ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপিটি তুলে দেন।