ক্রাইম শহর

সরকারি দপ্তরের অন্দরেই মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযোগ

সরকারি দপ্তরের অন্দরেই মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে তুমুল আলোড়ন পুরুলিয়া শহরে। অভিযুক্ত আধিকারিক এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
সরকারি দপ্তরের অন্দরেই মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

সরকারি দপ্তরের অন্দরেই মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে তুমুল আলোড়ন পুরুলিয়া শহরে। নীলকুঠিডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত রাজ্য সরকারের হ্যান্ডলুম ডেভেলপমেন্ট দপ্তরে এক মধ্যবয়সী মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানি করার অসম্মান অভিযোগ উঠেছে খোদ দপ্তরেরই এক পদস্থ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার জল গড়িয়েছে থানা থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত। অন্যদিকে, অভিযুক্ত আধিকারিক এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখন স্রেফ একটি অভিযোগের গণ্ডি পেরিয়ে আইনি লড়াইয়ের রূপ নিয়েছে।

অভিযোগকারী মহিলার দাবি, "গত ৯ জুলাই দুপুরে যখন অফিসের অন্যান্য কর্মীরা টিফিনের বিরতিতে বাইরে গিয়েছিলেন, সেই নির্জনতার সুযোগ নিয়ে ওই আধিকারিক তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত অভদ্র ও আপত্তিকর আচরণ করেন।

ঘটনাটি ঘটার পরেই ওই কর্মী বাকি সহকর্মীদের ডেকে বিষয়টি জানান। মানসিক ট্রমা ও উত্তেজনার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে দ্রুত পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সুস্থ হয়েই ১০ জুলাই তিনি পুরুলিয়া সদর মহিলা থানায় অভিযুক্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ  দায়ের করেন। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা  ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিক গৌতম কুমার বসাক জানান, "আমার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি দপ্তরের নিয়মকানুন মেনে চলি। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে আমি ইতিমধ্যেই আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং গোটা প্রক্রিয়াটি এখন বিচারাধীন, তাই এই মুহূর্তে এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আদালতেই সত্যিটা প্রমাণিত হবে"।

থানায় মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই পুলিশ হ্যান্ডলুম ডেভলপমেন্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।