রাজনীতি শহর

ঝালদা পুরসভায় ইস্তফার ঝড়, তৃণমূল ছাড়লেন সুদীপ কর্মকার

পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জবা মাছুয়ার পদত্যাগে অস্বস্তি বাড়ে শাসক শিবিরে। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই গত বুধবার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিজয় কাঁন্দু দল ছাড়েন। তার দু’দিনের মাথায় সুদীপ কর্মকারের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিচ্ছে ঝালদা তৃণমূলে দৈন্য ক্রমেই চওড়া হচ্ছে।
ঝালদা পুরসভায় ইস্তফার ঝড়, তৃণমূল ছাড়লেন সুদীপ কর্মকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝালদা:

পুরভোটে রাজনৈতিক সমীকরণের‌ চিত্র বদলাতে শুরু করেছে পুরুলিয়ার ঝালদায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একের পর এক ইস্তফার ‘ধস’ নামায় চরম সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার মুখে পুরপরিষদ। এবার ৫ নম্বর ওয়ার্ডেও বড় ধাক্কা খেল শাসকদল। দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন দীর্ঘদিনের সক্রিয় তৃণমূল কর্মী তথা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুদীপ কর্মকার।

শুক্রবার রাজীবলোচন সরেনকে জেলা সভাপতি বলে উল্লেখ করে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র পেশ করেন। যদিও এই ইস্তফার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ দর্শাননি সুদীপবাবু। ব্যক্তিগত তথা পারিবারিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, "মায়ের শারীরিক অসুস্থতার কারণেই বর্তমানে সংগঠনের কাজে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই দল ছাড়ার এই সিদ্ধান্ত। " ভবিষ্যতে তিনি অন্য কোনো রাজনৈতিক পতাকাতলে আশ্রয় নেবেন কি না, সে বিষয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি তিনি।

তবে রাজনৈতিক  মতে, বিষয়টি মোটেও স্রেফ 'ব্যক্তিগত' কারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কারণ, ঝালদা পুরসভার অন্দরে সম্প্রতি যে অস্থিরতার আবহ তৈরি হয়েছে, সুদীপের ইস্তফা তারই নতুন সংযোজন। কয়েক দিন আগেই পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জবা মাছুয়ার পদত্যাগে অস্বস্তি বাড়ে শাসক শিবিরে। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই গত বুধবার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিজয় কাঁন্দু দল ছাড়েন। তার দু’দিনের মাথায় সুদীপ কর্মকারের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিচ্ছে ঝালদা তৃণমূলে দৈন্য ক্রমেই চওড়া হচ্ছে।