সাধারণ খবর ব্লক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন পালনে যোগ শিবিরে বার্থডে বয় সাংসদ জ্যোতির্ময়ও

কুশি রেলওয়ে গেট সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে ১১৩তম দিনে পদার্পণ করা ধারাবাহিক যোগ শিবিরে অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানান পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। এদিন সাংসদেরও জন্মদিন। উক্ত অনুষ্ঠানে সাংসদের নিজের জন্মদিন উদযাপনসহ 'এক পেড় মা কে নাম' কর্মসূচির অধীনে বৃক্ষরোপণ ও চারাগাছ বিতরণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন পালনে যোগ শিবিরে বার্থডে বয় সাংসদ জ্যোতির্ময়ও

 


শুভদীপ মাহাতো, ঝালদা:

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে পুরুলিয়া জেলা জুড়েই শুরু হয়েছে একাধিক সেবা ও সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি। ঝালদার কুশি রেলওয়ে গেট সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে ১১৩তম দিনে পদার্পণ করা ধারাবাহিক যোগ শিবিরে অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানান পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। এদিন সাংসদেরও জন্মদিন। উক্ত অনুষ্ঠানে সাংসদের নিজের জন্মদিন উদযাপনসহ 'এক পেড় মা কে নাম' কর্মসূচির অধীনে বৃক্ষরোপণ ও চারাগাছ বিতরণ করা হয়। পুরুলিয়া বনবিভাগের ঝালদা বনাঞ্চল ১০০০ গাছের চারা বিতরণ করে এদিন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সভাপতি  শংকর মাহাতো জানান, "সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও  বিধায়ক রহিদাস মাহাতোর উপস্থিতিতে 'সেবা সংকল্প অভিযান' সূচনা হয়েছে, যা আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত চলবে। মোদীজির ২৫ বছরের নিরলস দেশসেবাকে সম্মান জানাতে এই মাসব্যাপী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে 'বিকশিত ভারত' গড়ে তুলতে হলে সবাইকে শারীরিক সুস্থতার ওপর জোর দেওয়ার বার্তা দিয়ে  প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা যোগাভ্যাস  করতেই হবে"।


অন্যদিকে, সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো জানান যে, "টানা ১১৩ দিন ধরে কুশি ফুটবল ময়দানে যোগাভ্যাস, গাছ বিতরণ ও স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মতো উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বড় ভূমিকা নিচ্ছে। রাজনীতির পাশাপাশি জেলা সভাপতি শঙ্কর মাহাতোর এই ধরনের স্বাস্থ্য ও সমাজসেবামূলক কাজ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রধানমন্ত্রীর ২০৪৭ সালের 'বিকশিত ভারত' গড়ার সংকল্পকে বাস্তবে রূপ দিতে পুরুলিয়ার জনগণ একযোগে কাজ করে যাবে" ।

ঝালদার ফুটবল ময়দানে আয়োজিত এই বিশেষ সেবা কর্মসূচি কেবল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন বা রাজনৈতিক প্রচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং দৈনন্দিন শরীরচর্চা, পরিবেশ রক্ষা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।