ক্রাইম ব্লক

টামনা নার্সিং ছাত্রী হত্যাকাণ্ডে উদ্ধার 'মার্ডার ওয়েপন' সেই সবজি কাটা ছুরি, জেল হেফাজতে অভিযুক্ত

মেসের ঘরেই ছিল খুনে ব্যবহৃত ছুরি! অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে আগেই হত্যাকাণ্ডের পুনর্নির্মাণ করেছিল পুলিশ। এ বার টামনার রামকৃষ্ণপল্লীর সেই মেসের ঘর থেকেই উদ্ধার হল নার্সিং ছাত্রীকে খুনে ব্যবহৃত সবজি কাটার ছুরি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞকে সঙ্গে রেখে ছুরিটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। খুনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রমাণ উদ্ধারের পর মেসের ওই ঘরটি তালাবন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
টামনা নার্সিং ছাত্রী হত্যাকাণ্ডে উদ্ধার 'মার্ডার ওয়েপন' সেই সবজি কাটা ছুরি, জেল হেফাজতে অভিযুক্ত

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

মেসের ঘরেই ছিল খুনে ব্যবহৃত ছুরি! অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে আগেই হত্যাকাণ্ডের পুনর্নির্মাণ করেছিল পুলিশ। এ বার টামনার রামকৃষ্ণপল্লীর সেই মেসের ঘর থেকেই উদ্ধার হল নার্সিং ছাত্রীকে খুনে ব্যবহৃত সবজি কাটার ছুরি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞকে সঙ্গে রেখে ছুরিটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। খুনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রমাণ উদ্ধারের পর মেসের ওই ঘরটি তালাবন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, ন’দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর মঙ্গলবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয় অভিযুক্ত অমিত কুমার মাহাতোকে। বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘিরে এখনও চাঞ্চল্য কাটেনি পুরুলিয়ায়। গত ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার প্রেমিকাকে গলায় ছুরির কোপ বসিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে অমিতকুমার মাহাতোর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, খুনের পর দেহটি বস্তাবন্দি করে বাইকের পিছনে বেঁধে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সে। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে বলরামপুর থানা এলাকায় নাকা তল্লাশির সময় মধ্যরাত পেরিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে, টামনার রামকৃষ্ণপল্লীর একটি মেসের ঘরেই ঘটেছিল খুনের ঘটনা। ওই ঘরেই থাকতো অমিত। ঘটনার দু’দিন পর ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ওই ঘরে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে তদন্ত করেন। পরে অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে হত্যাকাণ্ডের পুনর্নির্মাণও করে পুলিশ। এ বার সেই ঘর থেকেই উদ্ধার হল অভিযুক্তের ব্যবহৃত বলে দাবি করা ছুরিটি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই মেসটি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, অবিলম্বে ওই মেস বন্ধ করে দেওয়া হোক। স্থানীয়দের আপত্তির মুখে মেসের আবাসিকদের ইতিমধ্যেই তাঁদের অভিভাবকেরা নিয়ে গিয়েছেন। বর্তমানে মেসটিতে তালা ঝুলছে। একটি চাবি রয়েছে পুলিশের কাছেও। খুনের তদন্তে মেসের ওই ঘরটিকে আপাতত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখছে পুলিশ।