রাজনীতি শহর

মোদীর জন্মদিনে আশীর্বাদের আলোয় সাজছে সাহেব বাঁধ, প্রদীপ বিলি বিধায়কদের

জেলার মূল অনুষ্ঠান হবে পুরুলিয়া শহরের সাহেব বাঁধ ঘিরে। হরিপদ সাহিত্য মন্দির থেকে সূর্য মন্দির সেজে উঠেছে আলোকমালায়। থাকবেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
মোদীর জন্মদিনে আশীর্বাদের আলোয় সাজছে সাহেব বাঁধ, প্রদীপ বিলি বিধায়কদের

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া

১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই দিন পুরুলিয়ার ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। আশীর্বাদের প্রদীপ কর্মসূচিতে বুথ স্তর থেকে সাধারণ মানুষের বাড়িতে প্রদীপ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নিজের বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন বুথে প্রদীপ বিলি করেছেন পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়। রঘুনাথপুরের বিধায়ক মামণি বাউরিও নিজের এলাকায় প্রদীপ বিলি করেছেন।

রঘুনাথপুরের বিধায়ক, মামণি বাউরি  বলেন, " ১৭ই সেপ্টেম্বর আমাদের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির ৭৬তম জন্মদিন। এই শুভ উপলক্ষে রঘুনাথপুর বিধানসভার সকল অধিবাসীদের প্রতি আমার ব্যাকুল আবেদন আসুন, উনার ২৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন জনসেবাকে সম্মান জানিয়ে ও সুস্বাস্থ্য-দীর্ঘায়ু কামনায় সন্ধ্যায় সবাই নিজ নিজ গৃহে একটি করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করি"।

মোদীর জন্মদিন থেকেই শুরু হচ্ছে বিজেপির মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। মোদীর জনপ্রতিনিধি হিসেবে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ১৩ ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। জেলার মূল অনুষ্ঠান হবে পুরুলিয়া শহরের সাহেব বাঁধ ঘিরে। হরিপদ সাহিত্য মন্দির থেকে সূর্য মন্দির সেজে উঠেছে আলোকমালায়। থাকবেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
জেলা বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রদীপ প্রজ্বলনের পাশাপাশি স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে ‘বিকশিত ভারত’ ভাবনায় ছবি আঁকা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, পথনাটিকা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘নমো সেবা গাথা’, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে ‘উঠোনের উৎসব’ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার কর্মসূচি হবে।

এ ছাড়া সেবা যাত্রা, রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্বাস্থ্য পরীক্ষা-সহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজ, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে ‘সেবা সেতু’ শিবির, আলপনা, যুব ও পড়ুয়াদের নিয়ে ইনোভেশন চ্যালেঞ্জের পরিকল্পনাও রয়েছে। মাসব্যাপী কর্মসূচির শেষে ১৭ অক্টোবর ‘জনসেবক মহাকুম্ভ—পঞ্চায়েত থেকে পার্লামেন্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাপ্তি হবে। 
বিজেপি চাইছে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগী এবং সাধারণ মানুষও যেন এই সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেই লক্ষ্যেই চলছে প্রচার।