সাধারণ খবর পর্যটন অন্যান্য শহর

পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে কী কী আলোচনা হতে পারে?

বৈঠক, চার দপ্তরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে প্রায় দু'ঘণ্টার ওই বৈঠকে জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন তিনি। উপস্থিত থাকবেন পরিবহণ, পর্যটন, বন এবং পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন— এই চার দপ্তরের সচিবেরা।
পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে কী কী আলোচনা হতে পারে?

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

এক সফরে তিন কর্মসূচি। করম উৎসবের ফাঁকেই প্রশাসনিক বৈঠক, চার দপ্তরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে প্রায় দু'ঘণ্টার ওই বৈঠকে জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন তিনি। উপস্থিত থাকবেন পরিবহণ, পর্যটন, বন এবং পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন— এই চার দপ্তরের সচিবেরা।
প্রশাসন সূত্রের খবর, দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সার্কিট হাউসে বৈঠক হওয়ার কথা। পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে প্রস্তাবিত ছড়রা বিমানবন্দর, অযোধ্যা পাহাড়ে রোপওয়ে প্রকল্প, প্রস্তাবিত অভয়ারণ্য এবং পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বর্তমান অবস্থার খুঁটিনাটি পর্যালোচনা হবে। প্রকল্পগুলির কাজ যাতে দ্রুত এগোয় এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ে, সে বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে শীঘ্রই মউ স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বৈঠকে। ছড়রা বিমানবন্দর স্থাপিত হলে বদলে যাবে পুরুলিয়ার শিল্প ও পর্যটন কাঠামো, এমনটাই মত তথ্যভিজ্ঞ মহলের। অযোধ্যা পাহাড় পর্যটন নিরিখে ক্রমশ হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের গোল্ডমাইন। এখানে রোপওয়ে সহ অ্যাডভেঞ্চার ও নৈশ পর্যটন মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচিত হতে পারে। কোটশিলা ও ঝালদা ঘিরে অভয়ারণ্য গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণের সহাবস্থান দেশের নিরিখে নজির। এই বিষয়েও হতে পারে আলোচনা। জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের ভূমিকা বিশাল। এই দপ্তর নিজের হাতে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পর্ষদের সামগ্রিক পর্যালোচনা হবে এদিন।

বেলা ১১টা থেকে কড়াডি মাঠে আদিবাসী কুড়মি সমাজের করম উৎসব শুরু হবে। দুপুর ১২টা নাগাদ হেলিকপ্টারে সেখানে পৌঁছাবেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় এক ঘণ্টা অনুষ্ঠানে থাকার পর তিনি সরাসরি পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। বৈঠক শেষে বিকেল ৩টার পর পুরুলিয়া শহরের রবীন্দ্রভবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।