রাজনীতি শহর

কংগ্রেসকে শক্তিশালী করতে পুরুলিয়ায় এলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক

এআইসিসির পর্যবেক্ষক রাজেশ ঠাকুর বলেন, "অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধীর উদ্যোগে দেশজুড়ে চালু হওয়া সংগঠন সৃজন অভিযান এর মূল উদ্দেশ্য হলো, তৃণমূল স্তর থেকে ব্লকে ব্লকে দলীয় সংগঠনকে পুনরায় শক্তিশালী করে তোলা"।
কংগ্রেসকে শক্তিশালী করতে পুরুলিয়ায় এলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর যৌথ উদ্যোগে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে 'সংগঠন সৃজন অভিযান'। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ব্লক থেকে শুরু করে জেলা স্তর পর্যন্ত কংগ্রেসের সংগঠনকে নতুন শক্তি ও ভাবনায় পুনর্গঠন করা। এই অনুষ্ঠানে  অংশ হিসেবে পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেসের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে পরিদর্শনে এলেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির নিযুক্ত পর্যবেক্ষক রাজেশ ঠাকুর।

এআইসিসির পর্যবেক্ষক রাজেশ ঠাকুর বলেন, "অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধীর উদ্যোগে দেশজুড়ে চালু হওয়া সংগঠন সৃজন অভিযান এর মূল উদ্দেশ্য হলো, তৃণমূল স্তর থেকে ব্লকে ব্লকে দলীয় সংগঠনকে পুনরায় শক্তিশালী করে তোলা"।

তিনি আরও বলেন, "এই গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের অংশ হিসেবে পুরুলিয়ার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়ে আমি ব্লক, পঞ্চায়েত ও বুথ স্তরের সমস্ত নেতৃত্ব এবং কর্মীদের সাথে বৈঠকে বসব। দলের নতুন দিকনির্দেশনা ও পুনর্গঠনে সবার মতামত নেওয়া এবং নিষ্ঠাবান ও যোগ্য কর্মীদের সামনে এনে দায়িত্ব দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।"

পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেসের সভাপতি নেপাল মাহাতো জানান,  "এআইসিসি-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলকে শক্তিশালী করতে জেলা কংগ্রেস সভাপতিদের মূল ভূমিকা দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে"।
তিনি উল্লেখ করেন, 'সংগঠন সৃজন' অভিযানের মাধ্যমে সমাজের নানা স্তর ও ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করে কংগ্রেসের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও বিস্তৃত করার কাজ শুরু হয়েছে। সারা পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি পুরুলিয়াতেও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পর্যবেক্ষণে এই সাংগঠনিক কাজ শুরু হলো। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ব্লক স্তরে আলোচনা, জেলা কমিটির পরামর্শ ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

বৈঠকে জানানো হয়, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার জন্য পর্যবেক্ষককে ১০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যেই ব্লক, পঞ্চায়েত ও বুথ স্তরের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বা প্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত রিপোর্ট ও মতামত তৈরি করা হবে।