রাজনীতি ব্লক

বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুরুলিয়া ১ ব্লকের সোনাইজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানকে অপসারিত করলো দলের সদস্যরাই

দলীয় প্রধানের স্বেচ্ছাচারিতা ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তৃণমূল দলের সদস্যরাই বিজেপি,, আদিবাসী কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজেদের দলের প্রধানকে অপসারিত করলো। এই ঘটনা ঘটেছে পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের সোনাইজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে।
বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুরুলিয়া ১ ব্লকের সোনাইজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানকে অপসারিত করলো দলের সদস্যরাই

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

 দলীয় প্রধানের স্বেচ্ছাচারিতা ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে শাসক দলের সদস্যরাই হাত মেলালেন বিরোধী শিবিরের সঙ্গে। বিজেপি, আদিবাসী কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওই দলের প্রধানকে অপসারিত করলো। এই ঘটনা ঘটেছে পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের  
সোনাইজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২২ আসনের সোনাইজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১২টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। অন্যদিকে বিজেপি ৫টি, সিপিআইএম ১টি এবং আদিবাসী কুড়মি সমাজ সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা ৪টি আসনে জয়ী হয়। পরবর্তীতে কুড়মি সমর্থিত এক নির্দল সদস্য বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ এবং আদিবাসী কুড়মি সমাজ সমর্থিত নির্দল সদস্য সংখ্যা হয় ৩। তবে গাণিতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার সুবাদে পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান পদ শাসক দলের হাতেই যায়।
শুক্রবার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল। ২২ জন সদস্যের মধ্যে এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন ১৯ জন প্রতিনিধি যার মধ্যে তৃণমূলের ১০ জন, বিজেপির ৬ জন এবং আদিবাসী কুড়মি সমাজের ৩ জন সদস্য। ভোটাভুটিতে ১৯ জন সদস্যই একজোট হয়ে প্রধানকে অপসারণের পক্ষে সম্মতি জানান। ফলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপসারণ ঘটে তৃণমূল প্রধানের।