ক্রাইম ব্লক

মৌতড়ে মা কালীর মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, খোয়া গেল লক্ষাধিক টাকার গহনা

মন্দিরের সেবাইত নটরাজ ভট্টাচার্য জানান, সকালে মন্দিরে এসে দেখা যায় মায়ের গহনাপত্র কিছুই নেই। সঙ্গে সঙ্গে অন্য সেবায়েত ও গ্রামবাসীদের খবর দেওয়া হয়।
মৌতড়ে মা কালীর মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, খোয়া গেল লক্ষাধিক টাকার গহনা

 

নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া:

রঘুনাথপুর থানার মৌতোড় গ্রামের ঐতিহাসিক ও প্রসিদ্ধ কালীমন্দিরে তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাতের অন্ধকারে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মায়ের সোনা ও রুপোর সমস্ত অলংকার চুরি হয়ে গেছে বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও মন্দিরের দরজা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু আজ সকালে সেবায়েত ও প্রতিবেশীরা মন্দিরে এসে দেখেন মূল দরজার তালা ভাঙা এবং গর্ভগৃহের সমস্ত গহনা উধাও। খবর পেয়ে রঘুনাথপুর থানা থেকে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।

মন্দিরের সেবাইত নটরাজ ভট্টাচার্য জানান, সকালে মন্দিরে এসে দেখা যায় মায়ের গহনাপত্র কিছুই নেই। সঙ্গে সঙ্গে অন্য সেবায়েত ও গ্রামবাসীদের খবর দেওয়া হয়।

অন্য এক সেবায়েত নির্মাল্য ভট্টাচার্য বলেন, "কাল রাতে প্রায় বারোটার পর এখানে পুলিশের টহলদারি গাড়িও ঘুরেছিল। কিন্তু এর মধ্যেই অপরাধীরা মন্দিরের তালা কেটে মায়ের ডাক, মুন্ডমালা, মুকুট ও সমস্ত অলংকার নিয়ে পালিয়েছে। এমনকি জোরে টানার ফলে মায়ের মূর্তির কিছু অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে"।

গ্রামের বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদ সদস্য অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকার গহনা চুরি হয়েছে, যার বেশিরভাগই ছিল রুপোর। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এই দুঃসাহসিক চুরির পাণ্ডাদের সন্ধান করুক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুক"।

ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে।