অন্যান্য

বর্ষার আগমনের অপেক্ষায় পুরুলিয়া, কিছুটা স্বস্তি প্রাক্-বর্ষার বৃষ্টিতে

৭ জুন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঝড়-বৃষ্টিতে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩০.৭২ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪.০ ডিগ্রি।
বর্ষার আগমনের অপেক্ষায় পুরুলিয়া, কিছুটা স্বস্তি প্রাক্-বর্ষার বৃষ্টিতে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

বর্ষা এখনও পশ্চিমবঙ্গে ঢোকেনি। কিন্তু তার আগমনী বার্তা যেন মিলছে পুরুলিয়ার আকাশে। ৭ জুন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঝড়-বৃষ্টিতে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩০.৭২ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪.০ ডিগ্রি।

সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বাঘমুণ্ডিতে—৫৭.২ মিমি। পুঞ্চায় ৫৬.২ মিমি, কাশিপুরে ৫৫.৪ মিমি, হুড়ায় ৪৫.২ মিমি এবং মানবাজারে ৪২.০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বিকেলের ঝড়-বৃষ্টিতে কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে এই সব এলাকাবাসীর।

এ দিকে, শনিবার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব ভারতের মিজোরাম ও মণিপুরের একাংশে প্রবেশ করেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে ছত্তিশগড় ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষার আগমন হতে পারে। যদিও পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা কবে ঢুকবে, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি মৌসম ভবন।

সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের পথ ধরে উত্তরবঙ্গে আগে বর্ষা প্রবেশ করে। উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢোকার স্বাভাবিক সময় ৫ জুন হলেও এ বার কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আবহাওয়াবিদদের ধারণা, এই বিলম্ব অস্বাভাবিক নয়। উত্তরবঙ্গে ১২ জুন এবং দক্ষিণবঙ্গে ১৭ জুনের মধ্যে বর্ষা এলে তা আবহাওয়াগত দিক থেকে স্বাভাবিক বলেই ধরা হবে। আপাতত পুরুলিয়ায় প্রাক্-বর্ষার ঝড়-বৃষ্টিই স্বস্তির ভরসা। আর জেলাবাসীর নজর এখন মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির দিকেই।