অন্যান্য

কেটে গেলো পুরুলিয়ায় বৃষ্টির ঘাটতি, আবার বৃষ্টি কবে?

নিম্নচাপের রেশ কাটতেই রবিবার পুরুলিয়ার আকাশে শরতের চেনা রং। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, রোদ ঝলমলে সকাল। তবে তার আগের রাত পর্যন্ত নিম্নচাপের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি হয়েছে।
কেটে গেলো পুরুলিয়ায় বৃষ্টির ঘাটতি, আবার বৃষ্টি কবে?


 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

নিম্নচাপের রেশ কাটতেই রবিবার পুরুলিয়ার আকাশে শরতের চেনা রং। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, রোদ ঝলমলে সকাল। তবে তার আগের রাত পর্যন্ত নিম্নচাপের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি হয়েছে। শনিবারও জেলায় গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২২.৩৫ মিলিমিটার।

২৬ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে পুঞ্চায়, ৪৮.২ মিলিমিটার। পাড়ায় ৪৫.৬ এবং মানবাজারে ৪০.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সাঁতুড়িতে ২৭.২, কাশিপুরে ২৫.২, নিতুড়িয়ায় ২৩, হুড়ায় ২০.৪ এবং হাতোয়াড়ায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। বলরামপুরে ১৪.২, বরাবাজারে ১৩.২, ঝালদায় ৬.৮, বাঘমুণ্ডিতে ৬.২ এবং জয়পুরে ৩.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রাতেও। শনিবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ২২ ডিগ্রি। তবে রবিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হওয়ায় ফের শরতের আবহ ফিরেছে জেলায়। নিম্নচাপের টানা বৃষ্টির পর নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর রোদের দেখা মিলতেই বদলে গিয়েছে পুরুলিয়ার চেনা দৃশ্যপট। আপাতত আর কোন বৃষ্টির সতর্কবার্তা নেই।

পুরুলিয়ার মরসুমের সামগ্রিক বৃষ্টির ঘাটতিও মিটেছে। জেলা কৃষি দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৩৯৪.৭১ মিলিমিটার। বাস্তবে বৃষ্টি হয়েছে ১৪১৭.২৪ মিলিমিটার—স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৬ শতাংশ বেশি।
২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাব আরও বদলেছে। ওই সময় পর্যন্ত স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৪০৪ মিলিমিটার। বাস্তবে হয়েছে ১৪৪৯.৮৮ মিলিমিটার। অর্থাৎ স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টি বেড়েছে ৩.২ শতাংশ। নিম্নচাপের পরপর কয়েক দিনের বৃষ্টিতেই মরসুমের সামগ্রিক বৃষ্টির ছবিতে এই পরিবর্তন এসেছে।