ব্লক

পুরুলিয়া বাঁকুড়া সড়ক যেন নদী, তীব্র বর্ষণে বাইকসহ ভেসে গেলেন আরোহী

সাঁতুড়ির সুভাষ রোডের কোটালডি এলাকার সেতুর ওপর জল। বুধবার সেই সেতুর ওপর দিয়ে এক ব্যক্তি বাইক নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। ওই ব্যক্তি বাইক সহ সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে পড়েন। পরে জলের তোড়ে বাইক সহ ভেসে যান।
পুরুলিয়া বাঁকুড়া সড়ক যেন নদী, তীব্র বর্ষণে বাইকসহ ভেসে গেলেন আরোহী

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, সাঁতুড়ি :

যে মাটি খরার জন্য পরিচিত, বর্ষার মরসুমে সেই পুরুলিয়াতেই এখন অন্য ছবি। টানা ভারী বৃষ্টিতে একদিকে যখন দীর্ঘদিনের তীব্র গরম আর জলের আকাল থেকে মুক্তি মিলেছে, ঠিক তখনই জেলার বাসিন্দাদের সামনে তৈরি হয়েছে এক নতুন সংকট জলমগ্নতা ও প্রবল স্রোত‌। বৃষ্টি স্বস্তি আনলেও, অসাবধানতার কারণে যে মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তা হাতেনাতে প্রমাণ করে দিল পুরুলিয়া-বরাকর স্টেট হাইওয়ের একটি মর্মান্তিক ঘটনা।
বাঁকুড়াগামী মূল সড়কের বেশ কিছুটা অংশ এখন নদীর চেহারার মতো প্লাবিত। সাঁতুড়ির সুভাষ রোডের কোটালডি এলাকার সেতুর ওপর জল। বুধবার সেই সেতুর ওপর দিয়ে এক ব্যক্তি বাইক নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। ওই ব্যক্তি বাইক সহ সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে পড়েন। পরে জলের তোড়ে বাইক সহ ভেসে যান। মুহূর্তের মধ্যে বড়সড় বিপদের আশঙ্কা তৈরি হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের সময়োচিত ও তৎপর মানবিক পদক্ষেপে প্রাণে বেঁচে যান ওই ব্যক্তি।

এলাকাবাসী অঞ্জন গোস্বামী বলেন, "বৃষ্টি আমাদের দরকার ছিল ঠিকই, কিন্তু যে গতিতে রাস্তাঘাটে জল বইছে, তাতে তাড়াহুড়ো করে জল পার হতে যাওয়া মানে সোজা মৃত্যুকে ডেকে আনা।"

তবে এই একটি ঘটনাই নয়, অতিবৃষ্টির জেরে গোটা পুরুলিয়া জুড়েই এখন উদ্বেগের মেঘ। নিচু এলাকাগুলো জলবন্দি তো বটেই, বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ধান খেত ও চাষের জমিও এখন জলের তলায়। খরার চিন্তার বদলে এখন মাথায় হাত পড়েছে অনেক কৃষকের, ফসল পচে যাওয়ার আশঙ্কায় তারা।