নিজস্ব প্রতিনিধি, টামনা:
এক বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরুলিয়ার টামনা থানা এলাকায়। মৃত বধূর নাম পায়েল লাই। এই ঘটনায় পরিকল্পিত খুনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ মৃতের শ্বশুর ও ভাসুরকে গ্রেফতার করেছে।
গত ১২ মে পায়েল লাই নামের ওই বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মেয়ের এই রহস্যজনক মৃত্যুর পর নিহতের মা, রিঙ্কু
চট্টোপাধ্যায় টামনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ ছিল, এটি সাধারণ আত্মহত্যা নয়। বরং জামাই, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং ভাসুর মিলে তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্তে নামে টামনা থানার পুলিশ। ঘটনার প্রাথমিক পর্যায়েই পুলিশ মৃত বধূর স্বামীকে গ্রেফতার করে। তবে ঘটনার পর থেকেই পরিবারের বাকি সদস্যরা— শ্বশুর, শাশুড়ি এবং ভাসুর গা-ঢাকা দিয়েছিল।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে টামনা থানার পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অবশেষে তাদের গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার তাদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি পলাতক অভিযুক্ত শাশুড়ি-র খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে। এটি খুন নাকি আত্মহত্যার প্ররোচনা, তা খতিয়ে দেখতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর নজর রাখছে পুলিশ।