সাধারণ খবর শহর

আচমকা পুরুলিয়ায় পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী, গোডাউনের সামগ্রী দেখে অসন্তুষ্ট কীর্তনীয়া

পশ্চিমবঙ্গের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া জানান, "বিগত সরকারের আমলে রাজ্যে দেওয়া রেশন সামগ্রী বাড়ির গবাদি পশু, ছাগলে খেত । আজ এই সরকারের আমলে মানুষ ভালো মানের রেশন সামগ্রী পাচ্ছেন। এই মান বজায় রাখতে হবে। "
আচমকা পুরুলিয়ায় পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী, গোডাউনের সামগ্রী দেখে অসন্তুষ্ট কীর্তনীয়া

 

সুইটি চন্দ্র, পুরুলিয়া:

খাদ্যসামগ্রীর মান নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার। সেই বার্তা দিতে এই প্রথম পুরুলিয়ায় আচমকা পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। শনিবার প্রথমে পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান মন্ত্রী। সেখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই কোনও পূর্বঘোষণা ছাড়াই বেরিয়ে পড়েন জেলার এমআর ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারগুলির পরিদর্শনে। পুরুলিয়া শহরের একটি এমআর ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে যান খাদ্যমন্ত্রী। সরাসরি গোডাউনে ঢুকে চাল, গম-সহ মজুত খাদ্যশস্যের মান খতিয়ে দেখেন তিনি। নমুনা দেখে চালের মান নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেন মন্ত্রী। গোডাউনে মজুত খাদ্যশস্যের গুণমান, সরবরাহ ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া জানান, "আমরা স্পষ্ট নীতি নিয়ে চলছি। দুর্নীতি বা নিম্নমানের সামগ্রী বণ্টনের ক্ষেত্রে নীতি একটাই, জিরো টলারেন্স। চাল বা গমের মানে কোনো ত্রুটি থাকলে বা সাধারণ মানুষ নিম্নমানের রেশন পেলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। প্রতিটি বিষয়ের সূক্ষ্ম তদন্ত হবে এবং ত্রুটি মিললেই কড়া আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।বিগত সরকারের আমলে রাজ্যে দেওয়া রেশন সামগ্রী বাড়ির গবাদি পশু, ছাগলে খেত । আজ এই সরকারের আমলে মানুষ ভালো মানের রেশন সামগ্রী পাচ্ছেন। এই মান বজায় রাখতে হবে। "
রেশন উপভোক্তা রেবা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "আগে রেশনে যে চাল পেতাম তা খাওয়ার যোগ্য ছিলো না। বাড়িতে হাঁস মুরগি আছে, তাদেরকেই খাওয়াতাম। মাস দুয়েক হলো ভালো চাল পাচ্ছি।"