সাধারণ খবর ব্লক

পুঞ্চার গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই মৃত্যু সহায়িকার

পুঞ্চা ব্লকের সিডিপিও মৃদুল চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "বেদনাদেবী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলে জেনেছি। এদিন রান্নার কাজ শেষ করার পরই তিনি প্রাঙ্গণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ওই দুঃখজনক পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রের খাবার বিতরণ পরিষেবা ব্যাহত হয়নি।"
পুঞ্চার গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই মৃত্যু সহায়িকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুঞ্চা:

অসুস্থ শরীর নিয়েই প্রতিদিনের মতো এসেছিলেন খুদে ও প্রসূতিদের রান্না করতে। তবে কাজ শেষের পরেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে। বৃহস্পতিবার সকালে পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লকের ভাগাবাঁধ গ্রামের এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র  চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত প্রবীণ সহায়িকার নাম বেদনা মাঝি।

স্থানীয় সূত্রের খবর, বিগত কয়েক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন বেদনাদেবী। তা সত্ত্বেও কর্তব্যে অবহেলা করেননি তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রে এসে শিশুদের এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য নির্দিষ্ট খাবার যথারীতি রান্না করেন। তবে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণের প্রক্রিয়া শেষ হতেই হঠাৎই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন । সহকর্মীরা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনায় প্রকাশ পেয়েছে এক চরম মানবিক ছবি। সহায়িকার মৃত্যুর মতো বেদনাদায়ক ঘটনার মুখে দাঁড়িয়েও কিন্তু থমকে থাকেনি কেন্দ্রটির পরিষেবা। এদিনও নির্দিষ্ট সময়েই শিশু ও প্রসূতিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বরাদ্দ খাবার। পুঞ্চা ব্লকের সিডিপিও  মৃদুল চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "বেদনাদেবী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলে জেনেছি। এদিন রান্নার কাজ শেষ করার পরই তিনি প্রাঙ্গণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ওই দুঃখজনক পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রের খাবার বিতরণ পরিষেবা ব্যাহত হয়নি।"

ঘটনার পরপরই খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়। পুঞ্চা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং পুরো বিষয়টিকে কেন্দ্র করে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর  মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।