ক্রাইম ব্লক

পরিযায়ী ক্রিমিনাল! মধ্যপ্রদেশ থেকে পুরুলিয়ায় ধৃত ৫ চন্দন দস্যু

সিনেমার পুষ্পা চন্দন গাছ কেটে পাচারকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছিল। বাস্তবের পুষ্পা গ্যাং ধরে ফেললো পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। সুদূর মধ্যপ্রদেশ থেকে জঙ্গলমহলে চন্দন গাছ চুরি করছিলো তারা বলে পুলিশের দাবি।
পরিযায়ী ক্রিমিনাল! মধ্যপ্রদেশ থেকে পুরুলিয়ায় ধৃত ৫ চন্দন দস্যু

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কাশিপুর:


সিনেমার পুষ্পা চন্দন গাছ কেটে পাচারকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছিল। বাস্তবের পুষ্পা গ্যাং ধরে ফেললো পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। সুদূর মধ্যপ্রদেশ থেকে জঙ্গলমহলে চন্দন গাছ চুরি করছিলো তারা বলে পুলিশের দাবি।
মে মাসের ১৪ তারিখ। রহস্যজনকভাবে বেশ কিছু মূল্যবান চন্দন গাছ চুরি যায়   কাশিপুর থানার কল্লোলী গ্রামের একটি বাগান থেকে। গাছগুলির কোন হদিশ না পেয়ে অভিযোগ দায়ের হয় কাশিপুর থানায়।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এর পেছনে স্থানীয় কোনো ছিঁচকে চোর নয়, বরং কাজ করছে ভিনরাজ্যের এক বড়সড় চক্র। এরপরই পাতা হয় ফাঁদ। রবিবার রাতে দুর্গাপুরে অতর্কিত হানা দিয়ে পুলিশ এই পাঁচ গ্যাংস্টারকে খাঁচায় বন্দি করে। ধৃত ৫ জনই মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলার বাসিন্দা। এরা পরিযায়ী অপরাধী হিসেবে এ রাজ্যে এসে জাল বিস্তার করেছিল। ধৃতরা বছর পঞ্চাশের
আন্নে সিং, তেত্রিশ বছর বয়সী কাটিল সিং, বছর সাঁইত্রিশের আখিয়ান লাল , তিরিশ বছরের জালিয়ান সিং এবং বছর সাতাশের পারমাল সিং।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই কাটনি গ্যাংটি শুধু কাশিপুরেই নয়, দীর্ঘদিন ধরে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর বনাঞ্চল ও ব্যক্তিগত বাগান থেকে চন্দন গাছ পাচারের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য চালাচ্ছিল। সোমবার ধৃতদের রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে, মূল চক্রের শিকড় অব্দি পৌঁছাতে এবং বাকি চুরির মালের হদিশ পেতে জালিয়ান সিং এবং পারমাল সিং-কে ৫ দিনের জন্য  রিমান্ডের  আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে।