শিক্ষা ব্লক

মানবাজারের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিধানসভায় সরব ময়না

পশ্চিমবঙ্গে সাঁওতালি শিক্ষার সঠিক পরিচালনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে অবিলম্বে একটি পৃথক ‘সাঁওতালি শিক্ষা বোর্ড’ গঠনের দাবি জানান ।‌বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম অভাব দূর করতে এসএসসি-র মাধ্যমে দ্রুত স্পেশাল রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ চালিয়ে সাঁওতালি মাধ্যম স্কুলগুলিতে শূন্যপদ পূরণের দাবি তোলেন বিধায়ক ময়না মুর্মু ।
মানবাজারের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিধানসভায় সরব ময়না

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, মানবাজার:

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় নিজের এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা এবং সাঁওতালি মাধ্যমে পড়াশোনার ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সোচ্চার হলেন মানবাজারের বিধায়ক ময়না মুর্মু। শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকার পরিকাঠামোগত অভাব পূরণের পাশাপাশি সাঁওতালি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন ।
মানবাজের বিধায়ক ময়না মুর্মু জানান, তাঁর এলাকা মানবাজারের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক নেই। বহু স্কুলে ক্লাসরুমের অভাব রয়েছে এবং অনেক স্কুলেই বাউন্ডারি ওয়াল নেই। এই সমস্ত পরিকাঠামোগত সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য  শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান তিনি।
সাঁওতালি মাধ্যমে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে তিনি কয়েকটি মূল দাবি তুলে ধরেন। পশ্চিমবঙ্গে সাঁওতালি শিক্ষার সঠিক পরিচালনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে অবিলম্বে একটি পৃথক ‘সাঁওতালি শিক্ষা বোর্ড’ গঠনের দাবি জানান ।‌বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম অভাব দূর করতে এসএসসি-র মাধ্যমে দ্রুত স্পেশাল রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ চালিয়ে সাঁওতালি মাধ্যম স্কুলগুলিতে শূন্যপদ পূরণের দাবি তোলেন বিধায়ক।

বিধায়ক উল্লেখ করেন, ২০০৩ সালে সাঁওতালি ভাষা সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ২০০৮ সাল থেকে রাজ্যে সাঁওতালি মাধ্যমে শিক্ষা দান শুরু হয়। বর্তমানে রাজ্যে ৬২টি হাই ও জুনিয়র হাই স্কুল, ৩২টি হাই স্কুলে প্রথম ভাষা হিসেবে এবং প্রায় ১৬০টি প্রাইমারি স্কুলে সাঁওতালি মাধ্যমে পড়াশোনা চলছে। কিন্তু বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম অভাবে গুণগত মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

অবিলম্বে এই সমস্যাগুলির সুরাহা করে সাঁওতালি মাধ্যমে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জোরালো আর্জি জানান বিধায়ক ময়না মুর্মু।