সাধারণ খবর ব্লক

আধার লিংকের নামে অতিরিক্ত টাকা? ক্ষুব্ধ বিধায়ক

বিভিন্ন এলাকায় আধার লিংকের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুললেন খোদ বাঘমুন্ডির বিধায়ক রহিদাস মাহাতো। সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আধার লিংকের নামে অতিরিক্ত টাকা? ক্ষুব্ধ বিধায়ক

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঘমুন্ডি:

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে টাকা পেতে চাইছেন? আধার লিংক করাবেন? এখানেই পাতা আছে ফাঁদ। সাবধান! বিভিন্ন এলাকায় আধার লিংকের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুললেন খোদ বাঘমুন্ডির বিধায়ক রহিদাস মাহাতো। সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তারই সঙ্গে সরকারি ভাতা পেতে নতুন করে আধার লিংক বা ডিবিটি সংযুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক নয়‌ বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।

বাঘমুন্ডির বিধায়ক রহিদাস মাহাত বলেন, "যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডার বা অন্যান্য সরকারি ভাতা পাচ্ছেন, তাঁদের নতুন করে আধার লিংক বা ডিবিটি করার কোনো দরকার নেই। তাঁদের তথ্য আগে থেকেই সংযুক্ত আছে। আধার লিংকের নামে কিছু জায়গায় সাধারণ মানুষের থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। যেখানে সরকারি ফি ৭৫ টাকা, সেখানে বেশি টাকা চাওয়া বরদাস্ত করা হবে না। আমি প্রশাসনকে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছি। প্রতিটা সেন্টারের বাইরে কোন পরিষেবার কত ফি বা কোনটা ফ্রি, তার তালিকা টাঙাতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।"


উপভোক্তা বেলা কালিন্দী এবং বারুমোহন মাহাত, লক্ষ্মী সিং মুড়া প্রমুখ বলেন, "আমরা জারগো শাখা ডাকঘরে আধার লিংকের কাজ করাতে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে আমাদের কাছ থেকে আধার লিংকের নাম করে ৮০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়মের চেয়ে কেন বেশি টাকা নেওয়া হবে? আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে এভাবে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।"

জারগো শাখা ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার তপন রজক বলেন, "গ্রাহকদের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য এবং ভিত্তিহীন। আমাদের এখানে সরকারি নিয়ম মেনেই সমস্ত কাজ করা হয়। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ উঠছে, তার কোনো সত্যতা নেই। "

অভিযোগ উঠছে, "সামাজিক ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে আধার লিংক নিয়ে সাধারণ মানুষের অসহায়তাকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর মানুষের অতিরিক্ত মুনাফা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে।"