সাধারণ খবর পর্যটন ব্লক

পুরুলিয়ার ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে কেন্দ্র রাজ্যের মউ স্বাক্ষর

ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হয়ে গেল মঙ্গলবার কলকাতায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডু কিঞ্জারাপ্পুর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত মউ পুরুলিয়ার জন্য নিয়ে এলো নতুন দিশা।
পুরুলিয়ার ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে কেন্দ্র রাজ্যের মউ স্বাক্ষর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া :

স্বাক্ষরিত হয়ে গেল মউ। ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হয়ে গেল মঙ্গলবার কলকাতায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডু কিঞ্জারাপ্পুর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত মউ পুরুলিয়ার জন্য নিয়ে এলো নতুন দিশা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তৈরি ছড়রার এই এয়ারস্ট্রিপ দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত। কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পের আওতায় সেটিকেই নতুন বিমানবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা এই চুক্তিতে। তবে রয়েছে রেললাইন ও হাইটেনশন লাইনের অবস্থান-সহ একাধিক প্রযুক্তিগত বাধা। ২০২৩ সালে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া প্রাথমিক সমীক্ষা করেছিল। রানওয়ে বাড়াতে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে রয়েছে প্রায় ১১০০ মিটার রানওয়ের পরিকল্পনা । বিমানবন্দর তৈরির জন্য এটিসি ভবন, দমকল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ওয়াচ টাওয়ার-সহ একাধিক পরিকাঠামোও গড়ে তুলতে হবে। লাভ হবে বিমান সংস্থার? চিন্তা নেই। উড়ান প্রকল্পের আওতায় বিমান পরিষেবা চালু হলে সংস্থাগুলিকে কেন্দ্র ভর্তুকি দিতে পারে।

মউ স্বাক্ষরের পূর্বে কীভাবে উড়ান প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনছে তা বিস্তারিত দেখানো হয় ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে। একেবারে সামনের সারিতে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের সঙ্গে বসেছিলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর সুদীপের হাসিই বুঝিয়ে দিলো পুরুলিয়ার মানুষ আজ কতটা তৃপ্ত।