নিজস্ব প্রতিনিধি, আড়শা:
ধানের ভালো ফলন পাওয়ার জন্য জৈব সারের পাশাপাশি রাসায়নিক সার হিসেবে ইউরিয়া সার ব্যবহার করে থাকেন চাষিরা । চাষের মরসুমে ধান লাগানোর সময় অর্ধেক এবং বাকি সার 'চাপান' হিসেবে দফায় দফায় ব্যবহার করেন চাষিরা। রাজ্য তথা জেলার চাষীরা মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইফকো উৎপাদিত ইউরিয়া ব্যবহার করেন। কিন্তু চাষিদের অভিযোগ চাষের শুরু থেকেই শুরু হয়েছে সারের কালোবাজারি । সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না সার। অথচ এই দিকে সার দেওয়ার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। শনিবার সকালে আড়শার একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত সার ও বীজ ভান্ডারের সামনে লাইন দিয়েছিলেন কৃষকরা। কেউ ভোর থেকে,কেউ রাত থেকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর জানতে পারেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে ইউরিয়া সার নেই। তারপরেই সার না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। পরে পুরুলিয়া-বেগুনকোদর রাজ্য সড়কের আড়শা হাটতলা মোড়ে বসে পড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান আড়শা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।
চাষিদের অভিযোগ, চাষের মরসুমে সময়মতো সার না পেলে ফসলের ক্ষতি হতে পারে। সন্তোষ কুমার, বিজয় মাহাতোরা বলেন, ‘‘রাত থেকে, কেউ আবার ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর জানতে পারছি, পর্যাপ্ত সার নেই। হাজার হাজার চাষি সার নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এই সময়ে সার না পেলে চাষে সমস্যা হবে।’’
জানা গিয়েছে, ইউরিয়া সার নেওয়ার জন্য যে সংখ্যক চাষি এ দিন সেখানে হাজির হয়েছিলেন, সেই অনুপাতে মজুত ছিল না সার। ফলে সকাল থেকেই তৈরি হয় সমস্যা। পর্যাপ্ত সার না পাওয়াতেই চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায় ।