অন্যান্য ব্লক

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জেলায় বাড়বে ঝড়- বৃষ্টির দাপট, পূর্বাভাস আইএমডি-র

বোরো থানার মানবাজার - বান্দোয়ান রাজ্য সড়কে আঁকরো মোড় এলাকায় দেখা গেলো ঝোড়ো হাওয়ার তুমুল দাপট। একাধিক স্থানে ঝড়ে ছিঁড়ে পড়েছে বিদ্যুতের তার। পড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। উড়ে গিয়েছে চালা।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জেলায় বাড়বে ঝড়- বৃষ্টির দাপট, পূর্বাভাস আইএমডি-র

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মেনেই রবিবার জেলার একাধিক এলাকায় বৃষ্টির দেখা মিলল। ২১ জুন পুরুলিয়ায় গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৩.৬২ মিলিমিটার। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সাঁতুড়িতে—৬৭.৮ মিমি। নিতুড়িয়ায় রেকর্ড হয়েছে ৩৬.২ মিমি বৃষ্টিপাত।

বৃষ্টির প্রভাবে তাপমাত্রাও কিছুটা কমেছে। এ দিন জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪.৫ ডিগ্রি।

আইএমডি সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্তমানে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায় সক্রিয় রয়েছে। তারই প্রভাবে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। বোরো থানার মানবাজার - বান্দোয়ান রাজ্য সড়কে আঁকরো মোড় এলাকায় দেখা গেলো ঝোড়ো হাওয়ার তুমুল দাপট। একাধিক স্থানে ঝড়ে ছিঁড়ে পড়েছে বিদ্যুতের তার। পড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। উড়ে গিয়েছে চালা।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পুরুলিয়ায় বর্ষার বৃষ্টি ছিল অত্যন্ত অসম। কোনও দিন একটি বা দুটি ব্লকে ভারী বৃষ্টি হলেও জেলার বাকি অংশ শুকনো থেকেছে। তবে রবিবারের বৃষ্টিতে অন্তত কিছুটা হলেও ভ্যাপসা গরম থেকে স্বস্তি মিলেছে। যদিও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা এখনও পুরো জেলায় সমানভাবে সক্রিয় হয়নি।

এখন জেলার কৃষক ও সাধারণ মানুষের নজর আগামী কয়েক দিনের দিকে। মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হলে পুরুলিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।