শিক্ষা শহর

৫০ শতাংশ নম্বরের অভাবে বিএড না থাকা শিক্ষকদের জন্য সুখবর

৫০% নম্বর না থাকার কারণে যে শিক্ষকেরা বিএড করতে পারেননি, তাঁদের সমস্যাটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখেছে ডিআই অফিস। এই জটিলতা দ্রুত কাটাতে ডিআই শিক্ষকদের একটি সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন।
৫০ শতাংশ নম্বরের অভাবে বিএড না থাকা শিক্ষকদের জন্য সুখবর

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

চাকরি জীবনে নেই কোনো পদোন্নতি। থমকে রয়েছে ইনক্রিমেন্টও। উচ্চশিক্ষিত হয়েও দিনের পর দিন বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে, এই সব অভিযোগ তুলে এবার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নামল অল পোস্ট গ্রাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্যব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার  পুরুলিয়া জেলা স্কুল পরিদর্শক  মহুয়া বসাকের কাছে একগুচ্ছ দাবিদাওয়া নিয়ে ডেপুটেশন জমা দিলেন সংগঠনের জেলা নেতৃত্ব।
এসএসসি  মারফত নিযুক্ত পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েট শিক্ষকদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার পুরুলিয়া শিক্ষা দপ্তরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সংগঠনের জেলা সম্পাদক হরপ্রসাদ রজক ও সভাপতির নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল ডিআইএর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন। সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থে মোট ১৪ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে।

স্মারকলিপিতে মূলত শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার ও স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলিকে সামনে আনা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম,পিএসসি  শিক্ষকদের মতো পিজি শিক্ষকদেরও চাকরি জীবনে ৮, ১৫ ও ২৪ বছরের মাথায় গ্রেড পে পরিবর্তনের সুবিধা দিতে হবে।
২০১৫ সালের পর সরকারি নির্দেশিকার জটিলতায় ৫ বছরের মধ্যে বিএড সম্পূর্ণ করতে না পারা শিক্ষকদের যে ইনক্রিমেন্টগুলো আটকে রয়েছে  তা অবিলম্বে চালুর দাবি জানানো হয়েছে।
অতীতে ৫০% নম্বর না থাকার কারণে যারা বিএড করতে পারেননি, তাঁদের বিষয়টি মানবিকতার সাথে পুনর্বিবেচনা করা এবং পুরনো শিক্ষকদের টেট বাধ্যতামূলক করার আইনি জট কাটানোর দাবি ওঠে।
ক্যাম্পাসকে রাজনীতি মুক্ত করা, সময়মতো ফর্ম দেওয়া, কম্পোজিট গ্রান্ট প্রদান এবং শূন্যপদে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মতো একাদিক দাবি পেশ করা হয়।

সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন  বৈঠকে জেলা পরিদর্শক মহুয়া বসাক মহাশয়ার ভূমিকা ছিল যথেষ্ট ইতিবাচক। দীর্ঘ ১ ঘণ্টা ধরে শিক্ষকদের প্রতিটি সমস্যার কথা শোনেন তিনি। ৫০% নম্বর না থাকার কারণে যে শিক্ষকেরা বিএড করতে পারেননি, তাঁদের সমস্যাটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখেছে ডিআই অফিস। এই জটিলতা দ্রুত কাটাতে ডিআই শিক্ষকদের একটি সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন।