নিজস্ব প্রতিনিধি, রঘুনাথপুর:
ডাক্তার দিবসের প্রাক্কালে চিকিৎসকদের তৎপরতায় নতুন জীবন পেল সাপের ছোবলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা এক দেড় বছরের শিশু। রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও নিবিড় চিকিৎসায় আপাতত বিপদমুক্ত ওই শিশু।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রঘুনাথপুরের মিছিরডি গ্রামের বাসিন্দা ওই শিশু বাড়িতে খেলছিল। সেই সময় একটি গোখরো সাপ তাকে ছোবল মারে বলে পরিবারের দাবি। অল্প সময়ের মধ্যেই শিশুটি অচৈতন্য হয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যেরা দ্রুত তাকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক ছিল। প্রথমে তাকে উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হলেও চিকিৎসকদের আশঙ্কা ছিল, স্থানান্তরে দেরি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। সেই কারণেই হাসপাতালেই জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
হাসপাতাল সুপারের উদ্যোগে একটি বিশেষ চিকিৎসক দল গঠন করা হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সাড়া দিতে শুরু করে শিশুটি। পরে তার জ্ঞানও ফিরে আসে। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রের দাবি।
চিকিৎসকদের মতে, বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা শুরু করাই জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এই ঘটনায় সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত চিকিৎসার ফলেই শিশুটিকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে।