অন্যান্য

বর্ষা এসেছে, বৃষ্টি কই? ৩৮.৩ ডিগ্রিতে হাঁসফাঁস পুরুলিয়া, আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ

ক্যালেন্ডারে বর্ষা অনেক আগেই এসেছে। কিন্তু পুরুলিয়ার আকাশে তার প্রভাব এখনও সেভাবে ধরা পড়ছে না। ২৭ জুন জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭.৬ ডিগ্রি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা পৌঁছেছে ৯২ শতাংশে। ফলে গরমের সঙ্গে ভ্যাপসা অস্বস্তিও চরমে উঠেছে।
বর্ষা এসেছে, বৃষ্টি কই? ৩৮.৩ ডিগ্রিতে হাঁসফাঁস পুরুলিয়া, আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

ক্যালেন্ডারে বর্ষা অনেক আগেই এসেছে। কিন্তু পুরুলিয়ার আকাশে তার প্রভাব এখনও সেভাবে ধরা পড়ছে না। ২৭ জুন জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭.৬ ডিগ্রি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা পৌঁছেছে ৯২ শতাংশে। ফলে গরমের সঙ্গে ভ্যাপসা অস্বস্তিও চরমে উঠেছে।

আকাশে মাঝেমধ্যে মেঘের আনাগোনা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির দেখা মেলেনি। দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে না পারলেও অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা অনেক বেশি ছিল। সকাল থেকেই গুমোট পরিবেশে নাজেহাল হন সাধারণ মানুষ।

আবহাওয়া দফতরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশের অধিকাংশ এলাকায় বর্ষা পৌঁছে গেলেও তা এখনও পুরোপুরি সক্রিয় হয়নি। উপগ্রহচিত্রে দেখা গিয়েছে, বর্ষণ-সহায়ক মেঘের পরিমাণ মধ্য, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে কম। ৪ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

আবহবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগরে এখনও কোনও শক্তিশালী নিম্নচাপ তৈরি না হওয়ায় মৌসুমি বায়ু দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ফলে পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতও বিক্ষিপ্ত ও অনিয়মিত হচ্ছে। তবে আশা জাগাচ্ছে নতুন পূর্বাভাস। আগামী ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর থেকে একটি বৃহৎ ক্রান্তীয় আবহাওয়া ব্যবস্থা বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারে। সেটি তৈরি হলে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হবে এবং দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।

তাই আপাতত পুরুলিয়াবাসীর অপেক্ষা সেই শক্তিশালী আবহাওয়া ব্যবস্থার দিকেই। কারণ, টানা গরম ও ৯২ শতাংশ আর্দ্রতার অস্বস্তি থেকে স্থায়ী স্বস্তি দিতে পারে একমাত্র সক্রিয় বর্ষাই।