সাধারণ খবর ব্লক

বান্দোয়ানে মশারির ভিতরেই দম্পতিকে কা*মড়ালো বি*ষাক্ত চিতি, মর্মান্তিক পরিণতি

সাপের ছোবলে প্রাণ হারালেন ৩৫ বছর বয়সী যুবক গণেশ মাহাতো। অন্যদিকে, হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তাঁর ২৭ বছর বয়সী স্ত্রী আলোমনি মাহাতো। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার গুড়ুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তুলসীডি গ্রামে।
বান্দোয়ানে মশারির ভিতরেই দম্পতিকে কা*মড়ালো বি*ষাক্ত চিতি, মর্মান্তিক পরিণতি

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দোয়ান:

রাতের নিশ্চিন্ত ঘুমে মশারির সুরক্ষাই ছিল শেষ ভরসা। কিন্তু সেই সুরক্ষাকবচ ভেদ করেই নেমে এল চরম বিপর্যয়। মশারির ভেতরে ঢুকে এক দম্পতিকে দংশন করল বিষধর চিতি সাপ। এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে সাপের ছোবলে প্রাণ হারালেন ৩৫ বছর বয়সী যুবক গণেশ মাহাতো। অন্যদিকে, হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তাঁর ২৭ বছর বয়সী স্ত্রী আলোমনি মাহাতো। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার গুড়ুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তুলসীডি গ্রামে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই রাতে ঘরের খাটে মশারি খাটিয়ে ঘুমিয়েছিলেন গণেশবাবু ও তাঁর স্ত্রী। মশারির ভেতরেই শুয়েছিল তাঁদের দুটি ছোট ছেলেও। একজন পঞ্চম এবং অন্যজন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারের সদস্য দুর্গাচরণ মাহাতো বলেন, "রাতে ঘুমের মধ্যে খাটের মশারির ভেতরে বিষাক্ত চিতি সাপটি ঢুকে পড়েছিল। সাপটি প্রথমে গণেশের স্ত্রীকে এবং পরে গণেশকে কামড়ায়। তখন ওদের ছোট দুটি ছেলেও সেখানে ঘুমাচ্ছিল।"

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরপরই আতঙ্কিত পরিবার ও প্রতিবেশীরা তড়িঘড়ি আক্রান্ত দম্পতিকে উদ্ধার করেন। রাত ২:৩০ টা নাগাদ তাঁদের প্রথমে স্থানীয় মানবাজার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও দুজনের অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে শুরু করে। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের স্থানান্তরের  পরামর্শ দেন।

এরপর সেখান থেকে তাঁদের পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা গণেশ মাহাতোকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে তাঁর স্ত্রী আলোমনি মাহাতোর চিকিৎসা এখনও চলছে, তাঁর অবস্থাও অত্যন্ত সংকটজনক।