ক্রাইম ব্লক

সাঁতুড়িতে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচলো গৃহবধূর, পণের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

পণের দাবিতে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। তবে প্রতিবেশীদের মানবিকতা ও তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন কাকলি বাউরি নামের ওই গৃহবধূ। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে শনিবার পুরুলিয়ার সাঁতুড়ি থানায় স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সাঁতুড়িতে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচলো গৃহবধূর, পণের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, সাঁতুড়ি:

পণের দাবিতে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। তবে প্রতিবেশীদের মানবিকতা ও তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন কাকলি বাউরি নামের ওই গৃহবধূ। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে শনিবার পুরুলিয়ার সাঁতুড়ি থানায় স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর এই থানার।মুরুলিয়া গ্রামের সুরেশ বাউরির ছেলে সুজিতের সঙ্গে কাকলিদেবীর বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের সময় নগদ ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, সোনার গহনা ও আসবাবপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু হয়। তাঁদের একটি তিন বছরের কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ, মেয়ে হওয়ার পর থেকে এই অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

গত ২২ জুন রাত ১১টা নাগাদ স্বামী সুজিত, শ্বশুর সুরেশ এবং শাশুড়ি অনিল বাউরি মিলে তাঁকে মারধর করে ও গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। সেই রাতে কাকলিদেবীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন। তাঁরাই ওই গৃহবধূকে রক্তাক্ত ও অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রঘুনাথপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রতিবেশীদের এই উদ্যোগেই প্রাণ বাঁচালো বধূর।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি থানায় হাজির হন। অভিযোগের ভিত্তিতে সাঁতুড়ি থানা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু করেছে। অভিযুক্তদের খোঁজে বর্তমানে পুলিশের তল্লাশি চলছে।