সাধারণ খবর ব্লক

বাঘমুণ্ডি–আড়শায় যৌথ অভিযানে জেলা পুলিশ, সেন্ট্রাল ফোর্স ও অ্যাসল্ট গ্রুপ

নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি জনসংযোগ বাড়ানো এবং অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে রবিবার বাঘমুণ্ডি ও আড়শা থানার একাধিক গ্রামে যৌথ অভিযান চালালো পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের অ্যাসল্ট গ্রুপ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখার সদস্যরা।
বাঘমুণ্ডি–আড়শায় যৌথ অভিযানে জেলা পুলিশ, সেন্ট্রাল ফোর্স ও অ্যাসল্ট গ্রুপ

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, আড়শা, বাঘমুন্ডি

একদিকে এরিয়া ডমিনেশন, অন্যদিকে গ্রামের উঠোনে খাটিয়া বৈঠক। নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি জনসংযোগ বাড়ানো এবং অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে রবিবার বাঘমুণ্ডি ও আড়শা থানার একাধিক গ্রামে যৌথ অভিযান চালালো পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের অ্যাসল্ট গ্রুপ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখার সদস্যরা। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপারেশনস বিদ্যাগর আজিঙ্কা অনন্ত-র তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ঝালদার এসডিপিও গৌরব ঘোষ-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।

পুলিশ সূত্রের খবর, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ দুর্গম ও সংবেদনশীল এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই কর্মসূচিরই অংশ হিসেবে এ দিন তেলিয়াভাসা, কুসুমটিকরি, বাঁধডি, হেসাডি, কমলাবহাল এবং ঘাটিয়ালি গ্রামে একদিকে এরিয়া ডমিনেশন, অন্যদিকে খাটিয়া বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে পুলিশ আধিকারিকরা গ্রামবাসীদের কাছ থেকে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে অবৈধ পোস্ত চাষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আইনগত ক্ষতিকর দিকগুলি তুলে ধরে সচেতন করা হয় তাদের। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, পোস্ত চাষের সঙ্গে জড়িত কারও বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ মিললে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন স্থানীয় পুলিশ ও জেলা কন্ট্রোল রুমের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ নম্বর-সহ স্লিপ গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে পুলিশের পরামর্শ, কোনও বেআইনি কার্যকলাপ বা সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে। পুরুলিয়া জেলা পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ পোস্ত চাষ রোধ এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সঙ্গে পুলিশের পারস্পরিক আস্থা আরও মজবুত করতেই এই ধরনের যৌথ অভিযান ও জনসংযোগ কর্মসূচি আগামী দিনেও চলবে।