সাধারণ খবর স্বাস্থ্য শহর

সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে বিধায়ক সুদীপ ২.০

বিধায়ক তিনি আগেও ছিলেন। এই নিয়ে পরপর তিনবার। কিন্তু আগের দুই বারে সরকারে ছিলো না তাঁর দল। ডাকও পেতেন না সরকারি বৈঠকে। এবারও তিনি বিধায়ক৷ সরকারে তাঁর দল। এ যেন বিধায় সুদীপ মুখোপাধ্যায় ২.০। অ্যাকশন মোডে বাজার কাঁপাচ্ছেন পুরুলিয়ার ঘরের ছেলে কাল্টু।
সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে বিধায়ক সুদীপ ২.০


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

বিধায়ক তিনি আগেও ছিলেন। এই নিয়ে পরপর তিনবার। কিন্তু আগের দুই বারে সরকারে ছিলো না তাঁর দল। ডাকও পেতেন না সরকারি বৈঠকে। এবারও তিনি বিধায়ক৷ সরকারে তাঁর দল। এ যেন বিধায় সুদীপ মুখোপাধ্যায় ২.০। অ্যাকশন মোডে বাজার কাঁপাচ্ছেন পুরুলিয়ার ঘরের ছেলে কাল্টু।

সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে এবং হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে এলেন পুরুলিয়া বিধানসভার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় । সম্প্রতি তিনি পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সদর ক্যাম্পাসে যান। সেখানে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক  বৈঠকও সারেন তিনি।

এদিন হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছে বিধায়ক প্রথমেই মেডিকেল কলেজের এমএসভিপির  সঙ্গে দেখা করেন। এরপর হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার এবং এএনএমদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন তিনি। হাসপাতালের আগামী দিনের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার মান আরও উন্নত করতে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করাই ছিল এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

বৈঠক শেষে বিধায়ক সরাসরি চলে যান হাসপাতালের জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র বিভাগে। সেখানে কাজ কেমন চলছে, তা তিনি নিজে খতিয়ে দেখেন। শংসাপত্র নিতে আসা সাধারণ মানুষ এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সাথে সরাসরি কথা বলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায় । পরিষেবা পেতে তাঁদের কোনো সমস্যা বা অভাব-অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও শোনেন তিনি।

কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "দূর-দূরান্ত থেকে আসা কোনো মানুষ যেন এখানে এসে হয়রানির শিকার না হন, সেটা আগে দেখতে হবে। প্রত্যেককে সঠিক এবং দ্রুত পরিষেবা দেওয়াটা আমাদের দায়িত্ব। হাসপাতাল থেকে কোনো মানুষ যেন পরিষেবা না পেয়ে খালি হাতে ফিরে না যান, তা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে।"