নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঘমুন্ডি :
কথা দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ভোট-পরবর্তী হিংসায় দলের কেউ জড়িত থাকলে আদৌ রেয়াত করা হবে না। পুরুলিয়ায় সেই বার্তারই প্রতিফলন ঘটল। শো-কজ করা হল বিজেপির চার নেতাকে। পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য তথা বাঘমুন্ডি বিধানসভার আহ্বায়ক, বাঘমুন্ডির এক মণ্ডল সভাপতি-সহ চার জনকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
▪️কাদের শো-কজ করা হয়েছে?
• রাকেশ মাহাতো — পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য এবং বাঘমুন্ডি বিধানসভার আহ্বায়ক।
• অরুণচন্দ্র মাঝি — বাঘমুন্ডি এক বিজেপি মণ্ডল সভাপতি।
• মোহন সিং দেও — বাঘমুন্ডির বিজেপি নেতা।
• মিঠুন কুমার — বাঘমুন্ডির বিজেপি নেতা।
▪️অভিযোগ কী?
• বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর এক সরকারি স্বাস্থ্য আধিকারিককে ভয় দেখানো।
• অকথ্য ভাষায় হুমকি দেওয়া।
• শারীরিকভাবে হেনস্থা করা।
• সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করা।
▪️দলের নির্দেশ
• বিজেপির রাজ্য শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠিয়েছেন।
• সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।
• পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত দলীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
▪️কেন তাৎপর্যপূর্ণ?
• ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা দিয়েছিলো বিজেপি।
• রাজ্য সভাপতির কড়া অবস্থান যে শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা স্পষ্ট হল।
• জেলা স্তরে এই পদক্ষেপে পুরুলিয়ার বিজেপি সংগঠনের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।