অন্যান্য

৪০ পেরিয়ে রক্ষা নেই, ‘রিয়েল ফিল’ ছুঁল ৪৮ ডিগ্রি, ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস পুরুলিয়া

২১ মে পুরুলিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি। কিন্তু বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কারণে ‘রিয়েল ফিল’ বা অনুভূত তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ৪৭ থেকে ৪৮ ডিগ্রির ঘরে।
৪০ পেরিয়ে রক্ষা নেই, ‘রিয়েল ফিল’ ছুঁল ৪৮ ডিগ্রি, ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস পুরুলিয়া

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর। শুধু তাপমাত্রার অঙ্কে নয়, আসল দুর্ভোগ এখন অনুভূত গরমে। ২১ মে পুরুলিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি। কিন্তু বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কারণে ‘রিয়েল ফিল’ বা অনুভূত তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ৪৭ থেকে ৪৮ ডিগ্রির ঘরে। ফলে সকাল থেকেই কার্যত অসহনীয় পরিস্থিতি জেলায়।

রাস্তাঘাট, বাজার, বাসস্ট্যান্ড—সব জায়গাতেই গরমের দাপট স্পষ্ট। দুপুরের দিকে বাইরে বেরোলে যেন আগুনের হলকা লাগছে শরীরে। তার সঙ্গে ঘাম ঝরানো ভ্যাপসা অস্বস্তি পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেকেই বলছেন, এপ্রিলের শুষ্ক দাবদাহের থেকেও এই আর্দ্র গরম বেশি কষ্টদায়ক।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে ক্রমাগত বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প ঢুকছে দক্ষিণবঙ্গে। সেই কারণেই তাপমাত্রার পাশাপাশি আর্দ্রতাও অত্যন্ত বেশি। ফলে শরীর থেকে ঘাম বেরোলেও তা সহজে শুকোতে পারছে না। আর তাতেই বাড়ছে অস্বস্তি ও ‘রিয়েল ফিল’ তাপমাত্রা।

চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা, এই পরিস্থিতিতে সানস্ট্রোকের ঝুঁকি যেমন রয়েছে, তেমনই অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে নুন ও জল বেরিয়ে গিয়ে ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং যাঁরা দীর্ঘ সময় রোদে থাকছেন, তাঁদের বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত অকারণে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পর্যাপ্ত জল, ওআরএস এবং হালকা খাবার খাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।