নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:
নির্বাচনের পর আদিবাসী কুড়মি সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। রবিবার ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরের ডোবোতে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের আদিবাসী কুড়মি সমাজের নেতারা । সেই বৈঠক থেকে একাধিক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ কর্মসূচি নিল আদিবাসী কুড়মি সমাজ । বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ২৪ শে মে জঙ্গলমহল এলাকার বিধানসভাগুলি থেকে নির্বাচিত জয়পুরের বিশ্বজিৎ মাহাতো, বলরামপুরের জলধর মাহাতো, বাঘমুন্ডির রহিদাস মাহাতো, ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের রাজেশ মাহাতো, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির
বিমান মাহাতো — বিজেপির এই ৫ কুড়মি বিধায়ককে সংবর্ধনা দেবে আদিবাসী কুড়মি সমাজ। সেই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে 'পসরি পরছন'। ওই সংবর্ধনা সভায় তাঁরা আমন্ত্রণ জানাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে।
আদিবাসী কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হবে পুরুলিয়া শহরের প্রস্তাবিত নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। গত বছরের ৮ই অক্টোবর এখান থেকেই দ্বিতীয় বারের জন্য 'নো ভোট টু টিএমসি' ডাক দিয়েছিলেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা অজিতপ্রসাদ মাহাতো।
আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা
অজিতপ্রসাদ মাহাতো বলেন, "১৯৩১ সালের পর এই প্রথম ভারত সরকার জাতিগত জনগণনা করছে। আমাদের দাবি , আমাদের জাতি বাংলায় লিখলে 'কুড়মি', ভাষা 'কুড়মালি' ও ধর্ম 'সারনা' লিখতে হবে। পাশাপাশি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এইবারের জাতিগত জনগননার কাজে আমরা সঠিকভাবে আমাদের জাতি, ভাষা, ধর্ম তুলে দিতে পারি তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় সেমিনারের আয়োজন করা হবে।
তাছাড়া জঙ্গলমহল জুড়ে 'গাছ বাঁচাও,বন বাঁচাও' বার্তা নিয়ে 'জঙ্গল জিআউ হামদুমি' কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।"