নিজস্ব প্রতিনিধি, রঘুনাথপুর:
২১ শে জানুয়ারি পুরুলিয়ার হুড়া ব্লকের চন্ডেশ্বর মাঠে জনসভা করতে আসছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় । শনিবার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে তারেই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হল রঘুনাথপুরে । সেই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন তৃণমূল নেতা সমীর চক্রবর্তী । সভা থেকে এসআইআর বিষয়ে মুখ খোলেন তিনি। তিনি বলেন, “এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। পেছনের দরজা দিয়ে ১কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা থাকতে তা হতে দেবো না।” এদিন মালদায় প্রধানমন্ত্রীর রেল উদ্বোধন করাকে নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর রেল উদ্বোধন করা কাজ নয়। কোনদিন হয়নি। আর দেশের এখনকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবুজ পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, রেল উদ্বোধন করবেন বলে। ওটা প্রধানমন্ত্রীর কাজ নয়। তার মানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে আর কোনো প্রকল্প নেই।”
সমীরবাবুর দাবি, “২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত দু’ বছরে বাংলাকে রেল প্রকল্পে মুড়ে দিয়েছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরুলিয়া সহ জেলায়-জেলায় একাধিক ট্রেন দিয়েছিলেন। আর এই প্রধানমন্ত্রী শুধু মিথ্যে কথা বলছেন। তিনি ১০০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো রেলে কাজ করতে পারবেন না।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রস্তুতি সভায় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। । সভা থেকেই কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি তথা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য বলরাম মাহাতো কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সমীর চক্রবর্তী, রাজ্য তৃণমূলের দুই সাধারন সম্পাদক শান্তিরাম মাহাতো, সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন।
প্রসঙ্গত, ঠিক এক সপ্তাহ আগে এই ময়দানেই ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জনসভা। অভিষেকের জনসভার প্রস্তুতি সভা হিসেবে সেই জনসভারও পাল্টা দেওয়া হলো বলে মনে করছে রাজনীতিঅভিজ্ঞ মহল।











Post Comment