insta logo
Loading ...
×

পুরসভায় বেতন বিক্ষোভ, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি অস্থায়ী কর্মীদের

পুরসভায় বেতন বিক্ষোভ, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি অস্থায়ী কর্মীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

পুরুলিয়া পুরসভায় নতুন করে সামনে এল অস্থায়ী কর্মীদের বেতন ইস্যু।
শুক্রবার পুরসভা কার্যালয়ের বাইরে একাংশ কর্মীর অবস্থান বিক্ষোভে স্পষ্ট হয়েছে, দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার ভাবনা রয়েছে তাদের।

পুরসভা সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই পুরসভায় প্রায় ১৬০০ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। তার মধ্যে প্রায় এক হাজার জন সাফাই বিভাগের সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, তাদের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী গত ডিসেম্বর মাস থেকে বেতন পাননি। দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় বহু পরিবার আর্থিক চাপে পড়েছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।

অস্থায়ী কর্মীদের বক্তব্য, গত বছর দুর্গাপুজোর সময় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির প্রেক্ষিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস মিলেছিল বলে তাদের দাবি। কয়েক মাসের মধ্যে বেতন বাড়ানোর কথা বলা হলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি।

এই প্রেক্ষিতেই তারা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার আবেদন জানিয়ে দু’দফা চিঠি দেন। প্রথম চিঠির কোনও সাড়া না পাওয়ায় শুক্রবার ফের চিঠি দিয়ে বৈঠকের দাবি তোলেন এবং অবস্থান বিক্ষোভে বসেন।

বর্তমানে পুরুলিয়া সদর মহকুমা প্রশাসন-এর দায়িত্বে থাকা মহকুমাশাসক উৎপলকুমার ঘোষই পুরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কোষাগারের বেহাল অবস্থার মধ্যেও রাজস্ব বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বেতন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাফাই পরিষেবা বন্ধ হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশে। পুরুলিয়া শহরে ইতিমধ্যেই পর্যটন মরশুম ও উৎসবের সময় ভিড় বাড়ে। এই সময়ে পরিষেবা বিঘ্নিত হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
তবে কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে শহরের সাফাই পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভোটের আগে নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

Post Comment