বিশ্বজিৎ সিং সর্দার, অমরেশ দত্ত ও হরিনারায়ণ সূত্রধর :
সাধারণতন্ত্র দিবসের পঁচাত্তর বছর। দেশের প্রজাতন্ত্রের প্লাটিনাম জুবিলিতে চকচকে পুরুলিয়া।
দেশের ৭৬ তম সাধারণতন্ত্র দিবস পালিত হল দেশের বিভিন্ন জায়গায়। দিল্লির কর্তব্য পথ থেকে রাজ্যের রাজপথ প্রত্যেক জায়গায় এই দিনটি বিশেষভাবে উদযাপিত করা হয়।

পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুরুলিয়া ভিক্টোরিয়া স্কুল ময়দানে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের জেলার মুখ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকালবেলা ওই ময়দানে পুরুলিয়া জেলাশাসকের হাত দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সূচনা হয়। বিশেষ আকর্ষণ ছিল কুচকাওয়াজের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের রংবেরঙের ট্যাবলো প্রদর্শনী নজর কাড়ে। এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে জেলার বিশিষ্টজনদের পাশাপাশি অনেকেই ভিক্টোরিয়া স্কুল ময়দানে হাজির হন। দেশাত্মবোধক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল বাড়তি পাওনা।

মানবাজার মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে মানবাজার রাধামাধব হাইস্কুল ময়দানে উদযাপিত হল ৭৬ তম সাধারণতন্ত্র দিবস। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে কুচকাওয়াজের সূচনা করেন মহকুমা শাসক মহম্মদ মানজার হোসেন আনজুম। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু, মানবাজার মহকুমা আরক্ষা আধিকারিক বরুণ বৈদ্য, মানবাজার ১নং ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেবাশীষ ধর সহ প্রশাসনিক আধিকারিকগন ও বিশিষ্টজনেরা।এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হয় অনুষ্ঠানে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প তুলে ধরা হয় ট্যাবলোর মাধ্যমে, চলে আদিবাসী নৃত্যও।অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ঝকঝকে ছিল ঝালদাও। ঝালদা ১ব্লক অফিস লাগোয়া ময়দানে আয়োজিত হলো মহকুমা শাসকের অনুষ্ঠান। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঝালদার এসডিও রাখি বিশ্বাস। ঝালদার এসডিপিও গৌরব ঘোষ এবং ঝালদা মহুকুমা এলাকার বিডিও, ওসি, আইসিরা উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ জনগণের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটা ব্লক থেকেই ট্যাবলো ছিল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সঞ্চালক দিব্যেন্দু শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় অনিন্দ্যসুন্দর হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠানটি।










Post Comment