বিশ্বজিৎ সিং সর্দার ও অমরেশ দত্ত :
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সেইমতো তীব্র গরমের পরেই নিম্নচাপের প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরুলিয়াতেও। হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে এই জেলায়। টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত। বরাবাজার ও পাড়ায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় ২ জনের। তাঁরা হলেন বরাবাজার থানার বাজরা গ্রামের রাজমিস্ত্রি আনন্দ মাঝি (৪৫) ও পাড়ার ভালাগোড়া গ্রামের ইট ভাটার শ্রমিক আরশাদ আনসারি (২৪)। শুক্রবার বান্দোয়ান, মানবাজার ও বলরামপুরে শিলাবৃষ্টি হয়।

অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে মানবাজারের গোপালনগর এলাকায় ড্রেনের জল উপচে আশেপাশের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা করেন অবরোধ। ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার বাসিন্দারা।
ঝড় বৃষ্টির তাণ্ডব লক্ষ্য করা গেছে বলরামপুরেও। বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলা বৃষ্টির দাপট ছিল এখানেও। জলমগ্ন হয়ে ওঠে চারিদিক। বিঘ্নিত হয় যান চলাচল। ঝড়ের তান্ডবে বলরামপুর গোশালার গবাদি পশু রাখার ঘরের ছাউনি উড়ে চলে যায়। বলরামপুর গোশালার সম্পাদক অনুপ কুমার আগারওয়াল জানান, ” গোশালায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ৮.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এদিন পুরুলিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ২৪.৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এক ধাক্কায় তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই নিম্নমুখী। প্রায় ৫০-৬০ কিমি বেগে শুক্রবার ঝড় বইতে দেখা যায় বেশ কিছু জায়গায়। জলে থৈ থৈ করছে চারিদিক। বিপদগ্রস্ত হয়ে উঠেছে জনজীবন।
Post Comment