বিশ্বজিৎ সিং সর্দার, অযোধ্যা :
কোন অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে না নাইট ম্যারাথন। একদা মাও উপদ্রুত অযোধ্যায় উন্নয়নের ধারা প্রবাহিত হবে নাইট ম্যারাথনের হাত ধরে। সমস্ত রকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত অযোধ্যার আদিবাসী মানুষজন। এবার নাইট ম্যারাথনের পাশে দাঁড়িয়ে এই দাবি তুলে গণ স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদন জেলা শাসকের কাছে তুলে ধরল অযোধ্যা পাহাড় আদিবাসী উন্নয়ন কমিটি। শুক্রবার সংগঠনের সভাপতি বলিবাস মুর্মু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নাইট ম্যারাথন বাংলার পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থান পাওয়া অযোধ্যাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলবে। দাবিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন রাঙা, বাড়েলহর, ভুঁইঘরা, হাতিনাদা, তেলিয়াভাসা প্রভৃতি গ্রামের প্রায় তিন হাজার অযোধ্যাবাসী।

ফলে অপেক্ষার আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। রাত পেরোলেই নাইট ম্যারাথনের দিন। শুরু হয়ে গিয়েছে শেষ মুহূর্তের কাউন্টডাউন। বাংলার বুকে এই প্রথমবার নাইট ম্যারাথন। উদ্যোগে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। রাজ্যবাসী এমন ম্যারাথন এর আগে কখনও দেখেনি। ফলে আগ্রহ তুঙ্গে। ম্যারাথনের প্রচারে ঝড় তুলেছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী, ক্রীড়াবিদ ও টলি তারকারা। খোদ রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার নিজে সমাজ মাধ্যমে করছেন প্রচার।

নাইট ম্যারাথনকে ঘিরে অভিনব সাজে গোটা অযোধ্যা পাহাড় সেজে উঠেছে। প্রতিযোগী থেকে স্থানীয় মানুষজন সকলেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই মেগা ইভেন্টের। পুলিশের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারা।

এদিকে অযোধ্যার বুকে নাইট ম্যারাথন দেখতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। পর্যটক রীতা ব্যানার্জি বলছেন, কলকাতার বুকে বিভিন্ন সময় ম্যারাথনের আয়োজন হতে দেখেছি। কিন্তু রাতের আঁধারে পাহাড়ের বুকে ম্যারাথনের আয়োজন একেবারেই বিরল। এমন দৃশ্য কোনোভাবেই মিস করতে চাইছি না।

পাহাড়, জঙ্গলের পথে ১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে প্রতিযোগীরা। ম্যারাথনের পরতে পরতে অ্যাডভেঞ্চার। রাত দখলের ম্যারাথন পুরুলিয়ার বুকে ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে।











Post Comment