insta logo
Loading ...
×

রাজ্য বিজেপির সভাপতির দৌড়ে জ্যোতির্ময়ও

রাজ্য বিজেপির সভাপতির দৌড়ে জ্যোতির্ময়ও

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

২০১৯ লোকসভা ভোটে তিনি তুলেছিলেন গেরুয়া ঝড়। জিতেছিলেন ২ লাখের বেশি ভোটে। তখনই ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বের দাবিদার। হননি। ২০২৪-এ ১৭ হাজারের বেশি ভোটে জিতেও ফের দাবি জোরদার হয়েছিল। তিনি জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। রাজনীতি অভিজ্ঞ মহল জানে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদের দিল্লিতে বেশ দহরম মহরম। মন্ত্রীত্ব পাননি ঠিকই, কিন্তু এবার রাজ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদের অন্যতম দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছে তাঁর নাম। স্বাভাবিক ভাবেই সাংসদ এ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি।

দলে তাঁর বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীও মেনে নিচ্ছে যে, জ্যোতির্ময় দিল্লির নেতাদের গুডবুকে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর ভোট প্রচারে এসেছেন। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে পুরুলিয়ায় সৈনিক স্কুলের মাঠের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী জ্যোতির্ময়কে তিন-তিনবার পিঠ চাপড়ানি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ” দিল্লি আপকে সাথ মে হ্যায় । হামে খবর হে আপ জিতো গে। পুরুলিয়া কো আগে বড়ানা হে।”
স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হাত যাঁর পিঠে তিনি এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি হয়ে যেতেই পারেন।

ঝালদা ১ নং ব্লকের পুস্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতরাডি গ্রামে তাঁর পরিবার যুক্ত কৃষির সঙ্গে। ৪০টি বসন্ত পার করেছেন অকৃতদার জ্যোতির্ময়। আরএসএস কর্মী থেকে বিজেপিতে তাঁর আগমন। ঝালদার জারগো হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি।অর্থনীতিতে স্নাতক হয়েছেন রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোসনার কলেজ থেকে। কিন্তু তার আগেই জীবন নিয়েছে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।একাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য হয়ে খাকি হাফপ্যান্ট, আর সাদা জামা পরে ডুব দেন সংগঠনের কাজে। ডুবে যান। হয়েছেন সংগঠনের পুরুলিয়ার জেলা সংযোজক। আরএসএস জেলা প্রমুখ। প্রতিবেশী ঝাড়খন্ড এবং ওড়িশাতেও তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগায় আরএসএস। পুরুলিয়ায় একসময় জেলা যুব মোর্চার দায়িত্ব সামলেছেন জ্যোতির্ময়। জেলা সাধারণ সম্পাদক থেকে যুব সভাপতি। ২০১৯-এ পেয়েছেন দলের জেলা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব। এখন তিনি রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক। একেবারে ধাপে ধাপে উত্তরণ তাঁর। এবার তিনি যে একেবারে রাজ্য সভাপতি পদের অন্যতম দাবিদার সে বার্তাও রটে গেছে দলে তো বটেই, বিরোধী শিবিরেও।

Post Comment