তাপস কুইরি, ঝালদা :
পথের পাশেই আস্তাকুঁড়। পারাপার করতে গিয়ে দুর্গন্ধে নাক সিটকাচ্ছেন পথচারীরা। গলাপচার ময়লার গন্ধে প্রাণ ওষ্ঠাগত স্থানীয় লোকজনের। ঝালদা শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পুরোনো বাঘমুণ্ডি রাস্তায় শালদহ নদীর পারে পুরসভার ওই অস্থায়ী “ডাস্টবিন’। এই ডাস্টবিন ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বাসিন্দারা। বিষয়টিতে পুরপ্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
আস্তাকুঁড়ের কাছেই বাড়ি তপন দত্তের। তার দাবি, আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বলে দুর্গন্ধে দিনের বেলাতেও দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এভাবে কি বসবাস করা যায় ?প্রশ্ন বয়স্ক ওই বাসিন্দার। রাস্তাটি দিয়ে রোজ যাতায়াত করেন কয়েক কিলোমিটার দূরে ইচাগ গ্রামের বাসিন্দা তথা স্থানীয় প্রধান শিবেশ্বর মাহাতো। তার কথায়,কিছুদিন থেকে দেখা যাচ্ছে, পুরসভা ফাঁকা জায়গা পেলেই সেখানটা আস্তাকুঁড় বানিয়ে ফেলছে। বিষয়টা দুর্ভাগ্যের। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া উচিত বলে মনে করি।
পুরবাসীর পুঞ্জীভুত ক্ষোভকে কাজে লাগানোর সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি। দলের ঝালদা শহর মন্ডলের সভাপতি বিজয় ভগতের কটাক্ষ,”তৃণমূল পরিচালিত এই পুরবোর্ড নাগরিকদের কথা ভাবে না। যে কাজে কাটমানি নেই, তাতে তৃণমূলও নেই। অচিরেই সমস্যা না মিটলে দল আন্দোলনে নামবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ঝালদা পৌরসভার পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালের দাবি,”জায়গা না মেলায় কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ শুরু করা যায়নি বলেই সমস্যা। জায়গার সন্ধান পেতে কয়েকদিন আগেও ভূমি দফতরের সাথে কথা বলেছি। দ্রুত যাতে সমস্যা মেটানো যায় দেখা হচ্ছে।











Post Comment