অমরেশ দত্ত :
কোভিডের মতোই উপসর্গ। করোনা ভাইরাসের মতোই প্রজাতি। একই রকম রোগ ছড়ায়, তবুও আলাদা।নাম এইচএমপিভি অর্থাৎ হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস। এই বিষয়ে জানার জন্য আমরা উপস্থিত হয়েছিলাম এক স্বাস্থ্য শিবিরে এবং আমরা পেয়েছিলাম বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: মানস ঘোষকে। এ বিষয়ে কি বললেন, এইচএমপিভি হলো আরএনএ ভাইরাস। আর সব ভাইরাসের মতো এটি নিজের মতো করে সংক্রামিত হয়। প্রতি বছরই যে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এমন নয়। যখন বদলাতে বদলাতে তার সংক্রামক ক্ষমতা যখন বাড়ে, তখনই সে আমাদের শরীরকে আক্রান্ত করে।
এইচএমপিভি ভাইরাস কোভিডের মতনই একটি ভাইরাস। এখন আর কোভিড নিয়ে আমাদের উচ্চবাচ্য নেই। তার কারণ প্রতিটি ভাইরাসের মধ্যে যে ভাইরাল লোড থাকে সেই লোডের প্রাদুর্ভাব হওয়াতেই আমাদের শরীর অসুস্থ হয়। কেমন অসুখ? জ্বর, সর্দি, কাশি, বুকের মধ্যে ইনফেকশন, শ্বাসকষ্ট — সেখান থেকে ভেন্টিলেটর অবধি যেতে হতে পারে। মনে রাখতে হবে এইচএমপিভি ভাইরাসের থেকেও এমন অনেক ভাইরাস আছে যা আরও ক্ষতিকর। সে সব ভাইরাসকে আমরা আয়ত্তের মধ্যে আনতে পেরেছি৷ এই এইচএমপিভি ভাইরাসকেও পারব। কিছু সতর্কতা মূলক পথ যদি আমরা এখন থেকেই মেনে নিতে পারি, তবে আমার মনে হয় এই ভাইরাস কোভিডের মতো মারাত্মক সমস্যায় মানুষকে পড়তে হবে না। প্রথমত, মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এইচএমপিভি বা কোভিড ছাড়াও এমন অনেক ভাইরাস আছে যেগুলো মুখের ড্রপলেট থেকে ছড়ায়। মাস্ক পরলে সেগুলো থেকেও বাঁচা যাবে৷ দ্বিতীয়ত, যতটা পারা যায় সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেইনটেইন করা। তৃতীয়ত, হাত মাঝে মাঝেই স্যানিটাইজ করতে হবে৷ খাবার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। চতুর্থত, নিয়ম করে সকাল আর রাতে গরম জলে গার্গেল করতে হবে। এছাড়া সর্দি হলে গরম জলের বাষ্প নিলেও উপকার হবে৷ এইসব পদক্ষেপ নিলে এইচএমপিভি ভাইরাস থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা যাবে।”
Post Comment