insta logo
Loading ...
×

নতুন বছর থেকেই জঙ্গলমহলেরব্লকে ব্লকে সম্মেলন করে সংগঠন গোছাবে টাইগার জয়রামের দল

নতুন বছর থেকেই জঙ্গলমহলেরব্লকে ব্লকে সম্মেলন করে সংগঠন গোছাবে টাইগার জয়রামের দল

সুইটি চন্দ্র, পুরুলিয়া:

নতুন বছর থেকেই ব্লকে ব্লকে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জঙ্গলমহলে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টায় নামছে ঝাড়খন্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারি মোর্চা। গত সোমবার পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে ওই রাজনৈতিক দলের সুপ্রিমো তথা ঝাড়খণ্ডের বিধায়ক টাইগার জয়রাম মাহাতো এমনই ইঙ্গিত দেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই সংগঠনের পুরুলিয়া জেলা সহ জঙ্গলমহলের অন্যান্য জেলার কমিটি গঠন হবে।

তাহলে কি জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা? দীর্ঘদিন ধরে জমি হারানো, উচ্ছেদ, বনসম্পদ লুঠ ও সাংস্কৃতিক অবহেলার বিরুদ্ধে জমে থাকা ক্ষোভ এবার সংগঠিত রাজনৈতিক ভাষা পেতে চলেছে— এমনই ইঙ্গিত দিয়ে যান টাইগার জয়রাম।

ওই সভা স্পষ্ট করে দিয়েছে, জঙ্গলমহলের মানুষ কেবল প্রতিবাদ নয়—এবার বিকল্প রাজনৈতিক দিশার সন্ধানেও প্রস্তুত। সভামঞ্চ থেকে জয়রাম মাহাতো বলেন, ” বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ করছি জঙ্গলমহলে সিএনটি অ্যাক্ট লাঘু করুন। ঝাড়খন্ডে আমাদের লড়াইয়ের স্লোগান জল, জঙ্গল, জমিন। আর আপনার স্লোগান মা, মাটি, মানুষ। সেই মাটির সঙ্গে আমাদের স্লোগান জমিনের মিল রয়েছে। আপনি মাটি রক্ষার আন্দোলন করায় ন্যানো ফিরে গিয়েছে। তাই এই মাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
সিএনটি এক্ট লাগু করে দিন।”
ঝাড়খণ্ডের বিধায়কের বক্তব্য, এই আইন কার্যকর না হলে জঙ্গলমহলের জমি কর্পোরেট ও বহিরাগত শক্তির হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

বিজেপির ‘ভোট কাটুয়া’ অভিযোগকেও সরাসরি নস্যাৎ করেন জয়রাম মাহাতো। তাঁর বক্তব্যে আত্মবিশ্বাসের সুর স্পষ্ট—“আমরা ভোট কাটতে আসিনি, আমরা বিপুল ভোট পেতেই এসেছি।” ওই সভায় আদিবাসী কুড়মি সমাজ ও বিজেপি থেকে একাধিক নেতা-কর্মী টাইগার জয়রামের হাত ধরে ঝাড়খন্ড লোকাতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চায় যোগদান করেন।

Post Comment