insta logo
Loading ...
×

শীতের পর্যটক টানছে দোলাডাঙা–দুয়ারসিনি, প্লাস্টিকমুক্ত করতে উদ্যোগ বন দফতরের

শীতের পর্যটক টানছে দোলাডাঙা–দুয়ারসিনি, প্লাস্টিকমুক্ত করতে উদ্যোগ বন দফতরের

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

নীল জল আর সবুজ জঙ্গলের মিলনে যে সৌন্দর্য, তা টানছে শীতের পর্যটকদের। এক দিকে বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর, অন্য দিকে পুরুলিয়ার দোলাডাঙা। কংসাবতী জলাধারের পাড়ে নীল জলরাশির সঙ্গে জঙ্গলের সহাবস্থান মানবাজার–১ নং ব্লকের দোলাডাঙা এলাকাকেও ক্রমশ মুকুটমণিপুরের মতো জনপ্রিয় করে তুলেছে। একই ছবি ঝাড়খণ্ড-সংলগ্ন বান্দোয়ানের দুয়ারসিনিতেও। দলমা রেঞ্জের পাহাড়-জঙ্গলের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা সাতগুড়ুম নদী শীতে পর্যটকদের ভিড় বাড়াচ্ছে দক্ষিণ পুরুলিয়ার এই দুই প্রান্তে।

তবে ভিড়ের সঙ্গে বাড়ছে প্লাস্টিক দূষণের আশঙ্কা। সেই কারণেই দোলাডাঙা ও দুয়ারসিনিকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে উদ্যোগী হল বন দফতর। কংসাবতী দক্ষিণ বন বিভাগের তরফে এই দুই এলাকাকে ‘নো প্লাস্টিক জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই মানবাজার–১ নং রেঞ্জের কংসাবতী জলাধারের পাড় এবং বান্দোয়ান–১ নং বনাঞ্চলের দুয়ারসিনিতে শুরু হয়েছে প্লাস্টিক সংগ্রহের কাজ।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনে এই উদ্যোগকে আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন রেঞ্জ আধিকারিকরা। পর্যটকদের সচেতন করতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ সংক্রান্ত বোর্ড বসানো হবে। নির্দিষ্ট জায়গায় ডাস্টবিন রাখার পাশাপাশি সেখান থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিকের জলের বোতল ব্যবহার করে চারা তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

কংসাবতী দক্ষিণ বন বিভাগের ডিএফও পূরবী মাহাতো বলেন, “যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলে দেওয়ায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়, পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। তাই বনভূমির এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকাকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

Post Comment