বিশ্বজিৎ সিং সর্দার, বান্দোয়ান:
গ্রামে কোন কাজ ছিল না। ঘরে ছিলো খিদে পেটের যন্ত্রনা। তাই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে কাজ করতেন। কিন্তু তা দিয়ে সংসারে সচ্ছলতা ছিল না। ভাইকে লেখাপড়া করিয়ে মানুষের মতো মানুষ করার
স্বপ্ন ছিল চোখে-মুখে। তাই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ নিয়ে চেন্নাই গিয়েছিলেন যুবক। আর সেখানেই কর্মরত অবস্থায় ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু। ফলে আবারও কাজ করতে গিয়ে ভিন রাজ্যে মৃত্যু হলো এক পরিযায়ী শ্রমিকের।
দীপাবলির আগেই আঁধার নেমে এলো পরিবারে।
ওই শ্রমিকের নাম কৃষ্ণপদ কিস্কু (১৮)। তার বাড়ি বান্দোয়ানের শালিডি গ্রামে। গত ১১ই অক্টোবর ওই দুর্ঘটনা ঘটে। তারপরই গ্রামের বাড়িতে খবর আসে। সঙ্গে সঙ্গে তার ভাই সেখানে যান। চিকিৎসার সমস্ত রকম ব্যবস্থা করেন। কিন্তু বাঁচানো যায়নি দাদাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ অক্টোবর মারা যান। মৃতদেহ ট্রেনে আসার পর খড়গপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্স-এ মঙ্গলবার নিথর দেহ আসে গ্রামে। গ্রামের সকল বাসিন্দাই বলছেন, সরকার যেন এই পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। ভাই পবিত্র কিসকু বলেন, “দাদাকে বাঁচাতে পারলাম না। পরিবারে অভাবের কারণেই দাদা এত দূরে কাজ করতে গিয়েছিল । মূলত অবস্থায় ছাদ থেকে পড়ে জখম হয়। তারপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।” এই ঘটনায় শোক গ্রাস করেছে গ্রামে। রোজগেরে সদস্যের মৃত্যু হয়ে যাওয়ায় ওই পরিবার সমস্যায় পড়েছে।
Post Comment