নিজস্ব প্রতিনিধি, হুড়া:
মাইকে বাজছে গান। টেবিল চেয়ার পাতা হয়ে গেছে। নিমন্ত্রিতরা এবার বসবেন। পাত পাড়া হবে। কিন্তু তা আর হলো না। পাত্রী যে নাবালিকা।
বিয়ের আসরে গিয়ে ফের এক নাবালিকার বিয়ে রুখলো পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন ও চাইল্ড লাইন । হুড়া থানার কেশরগড় গ্রাম পঞ্চায়েতে এলাকার এক নাবালিকার বিয়ে ঠিক হয়েছিল পশ্চিম বর্ধমানের এক পাত্রের সঙ্গে। বুধবার রাতে ওই নাবালিকার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে রাতেই গিয়ে বিয়ে আটকে দেন চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা।
বুধবার রাত ১০ টার সময় চাইল্ড লাইনের হেল্পলাইন ১০৯৮ এ একটি ফোন আসে। জানানো হয়, হুড়া থানার কেশরগড় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বছর ১৬-র এক নাবালিকার বিয়ের দিন রয়েছে। সাথে সাথেই চাইল্ড লাইনের দুই আধিকারিক শরদিন্দু দাস ও বিজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, হুড়া ব্লকের সিডিপিও ও হুড়া থানার পুলিশকে নিয়েই রাতেই নাবালিকার বাড়ি পৌঁছান।

গিয়ে দেখেন আমন্ত্রিতদের খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি বিয়ের তোড়জোড় চলছে। তবে বর পক্ষের লোকজন এসে পৌঁছায়নি।
চাইল্ড লাইনের সুপার ভাইজার শরদিন্দু দাস জানান, ” প্রথমে কনে পক্ষের লোকজন রাজি হচ্ছিল না। কম বয়সে বিয়ে দিলে কী সমস্যা হতে পারে তা বোঝানো হয়। বাল্য বিবাহ দিলে আইনে কী রয়েছে তা জানানো হয়। বহু চেষ্টার পর বিয়ে বন্ধ রাখতে রাজি হয় তারা। শেষে নাবালিকার বাবা মুচলেকা দিয়ে রাজি হন যে, ১৮ বছর আগে মেয়ের বিবাহ দেবেন না। একই সাথে রাতেই পাত্র পক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয় পাত্রীর বয়স না হওয়ায় এই বিয়ে হবে না।











Post Comment