insta logo
Loading ...
×

আট বছরের প্রয়াসে জাতীয় স্তরের ফুটবল প্রতিযোগিতায় পুরুলিয়ার সিধু কানহু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়।

আট বছরের প্রয়াসে জাতীয় স্তরের ফুটবল প্রতিযোগিতায় পুরুলিয়ার সিধু কানহু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্বজিৎ সিং সর্দার, পুরুলিয়া।

আট বছর প্রয়াসে সফলতার ছোঁয়া। এবার জাতীয় স্তরে ফুটবল খেলে তাক লাগাবে পুরুলিয়ার সিধু কানহু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দল।
উত্তরপ্রদেশের কানপুর জেলায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সর্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। আয়োজনে ছত্রপতি সাহুজি মহারাজ বিশ্ববিদ্যালয়।
এই প্রতিযোগিতা ২৯ জানুয়ারি থেকে ৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

এই বিষয়ে পুরুলিয়া সিধু কানহু বিরসা বিশ্ববিদ্যাল এর
ভারপ্রাপ্ত ফুটবল কোচ বা ফুটবল প্রশিক্ষক রঘুনাথ বাউরী জানিয়েছেন,
“আমি গত আট বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ রয়েছি। দীর্ঘ আট বছর প্রচেষ্টার পর আজ এই সফলতার ছোঁয়া পেয়েছি।
রাজ্য পেরিয়ে জোনাল স্তরের প্রতিযোগিতায় ছাড়পত্র অর্জন করার পরএবার জাতীয় স্তরে খেলার সুযোগ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা। আমার প্রচেষ্টা তো আছেই পাশাপাশি ছেলেদের কঠোর পরিশ্রমের ফল আজ পেয়েছি।

গত ২০২৪ এর নভেম্বর মাসে সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কলেজের ফুটবল খেলায় আগ্রহী ছাত্রদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে যোগ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ ট্রায়াল (খেলোয়াড় বাছাই পর্ব) আয়োজিত হয়। যে ট্রায়ালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ টি কলেজ থেকে ছেলেরা অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্য থেকে ১৮ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
ওই ১৮ জনের দল নিয়ে রাজ্যে স্তরের খেলায় অংশগ্রহণ করা হয়। সেখানে ছাড়পত্র অর্জন করার পর কলকাতায় অনুষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অর্থাৎ ইস্ট জোনের খেলায় সুযোগ করে নেয় তারা। ১৯ শে নভেম্বর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘এইচবি গ্রাউন্ড’ এবং ‘হেরিটেজ গ্রাউন্ডে’ সাত দিন ধরে চলে ইস্ট জোনের প্রতিযোগিতা। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল।
সেখানে ৪১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দল। সেখান থেকে জাতীয় স্তরের জন্য ছাড়পত্র অর্জন করে।
আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উত্তর প্রদেশের কানপুর জেলার বিভিন্ন ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতা’। ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত ৩২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দল।”

এছাড়াও তিনি বলেন দীর্ঘ আট বছর প্রচেষ্টা চালানোর পর আর জাতীয় স্তরে খেলার সুযোগ পাওয়া গিয়েছে।
এই সফলতার ছোঁয়া পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দলের অধিনায়ক সমীর মার্ডি, এবং সহ অধিনায়ক মনোজিৎ রাজওয়াড় সহ সমস্ত খেলোয়াড়ের প্রতি খুবই আশা ভরসা রয়েছে । তাই আমি আশাবাদী আমাদের দল বিগত খেলা গুলির মতো জাতীয় স্তরেও সাফল্য অর্জন করবে।

Post Comment