বিশ্বজিৎ সিং সর্দার,বলরামপুর :
তৃণমূল থেকে নির্বাচিত এক সদস্যের অকালপ্রয়াণে সমান সমান শাসক ও বিরোধীর আসন সংখ্যা। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে বিজেপি আনলো অনাস্থা প্রস্তাব। ঘটনা পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর ব্লকের বড়উরমা গ্রাম পঞ্চায়েতে। বিজেপির ৮ জন সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে হাজির বিডিও-র দরবারে।
এই পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৭ । ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯ টি আসনে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে বোর্ড গড়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৮ টি আসন। বার বার বিজেপির তরফ থেকে প্রধান শ্যামলী মাহাতোর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠে আসে। তাঁদের অভিযোগ, বলরামপুর ব্লকের অন্তর্গত তৃণমূল পরিচালিত বড় উরমা গ্রাম পঞ্চায়েতে চলছে ব্যাপক দুর্নীতি। বার বার অভিযোগ উঠলেও বিরোধীদের পাত্তা দিতেন না তৃণমূলের প্রধান। কারণ এতদিন তাঁরা ছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ।
চাকা ঘুরে যায় মাসখানেক আগে। তৃণমূলের এক সদস্যের অকাল প্রয়াণে এই পঞ্চায়েতে দুই দলের আসন সংখ্যা সমান হয়ে যায়। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব আনলো গেরুয়া শিবির। সোমবার অনাস্থা প্রস্তাব সহ প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিডিও-র কাছে হাজির হলেন বিজেপি নেতৃত্ব সমেত ওই আট জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সদস্যারা। তবে প্রস্তাব এলেও রয়েছে আইনি কাঁটা। তেমন তথ্যই উঠে এলো বলরামপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌগত চৌধুরীর মন্তব্যে। তিনি জানান বোর্ড গঠনের আড়াই বছর সম্পন্ন না হলে অনাস্থার প্রস্তাব দিতে পারবে না কোন দলই। অন্যদিকে অনাস্থা যদি না হয় তাহলে পঞ্চায়েতে তালা লাগানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী শিবির।
অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো। তিনি বলেন, “বিজেপির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”











Post Comment