নিজস্ব প্রতিনিধি,পুরুলিয়া :
চোর ধরতে জীবন কাটিয়ে দেওয়া পুলিশ সম্পূর্ণ নতুন ভূমিকায়। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষা ছাত্র ছাত্রীরা যাতে ভালো করে দিতে পারে তার জন্য তাদের মনোবল বাড়ানোর উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পুলিশের তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানালেন পুরুলিয়া ডিএসপি ডিএনটি শাশ্বতী শ্বেতা সামন্ত এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা। পুরুলিয়া শহরের পরীক্ষা কেন্দ্রে তাদের হাতে কলম তুলে দেওয়া হয়। জীবনের প্রথম বড়ো পরীক্ষা দিতে এসে পুলিশের এই ভূমিকায় আনন্দিত পরীক্ষার্থীরাও।
আড়শা থানার আড়শা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাঙামাটি স্বামী শ্রদ্ধানন্দ বিদ্যাপীঠ,সিরকাবাদ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কান্টাডি শিক্ষা সত্র উচ্চ মাধ্যমিক এই চারটি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে মোট ১৭১৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে এবার। যানজট আটকাতে স্কুল চত্বরের পাশাপাশি বিভিন্ন রাস্তায় সকাল থেকেই বাড়তি নজর চালায় আড়শা থানার পুলিশ। আড়শা থানার ওসি সুপ্রতীক মন্ডল নিজেও পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে ঘুরে সমস্ত কিছু তদারকি করেন । বাড়ি থেকে পরীক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে সমস্যায় না পড়েন সেই জন্য সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ পুলিশ আধিকারিকেরা সকালেই পৌঁছে যান নির্দিষ্ট পয়েন্ট ভিউতে। আড়শা থানার পুলিশের এমন উদ্যোগে খুশি পরীক্ষার্থী থেকে অভিভাবকেরা। এদিন আড়শা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিশ্বরূপ মাঝি সিরকাবাদ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গেটে দাঁড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের কলম, জলের বোতল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এই থানারই কাঁটাডি শিক্ষাসত্র হাইস্কুলে আগত পরীক্ষার্থীদের কলম ও জলের বোতল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন আড়শা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের মাইনোরিটি সেলের সভাপতি তথা এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবি সাহিল আনসারী সহ অন্যান্য সদস্যরা।
পাশাপাশি মানবাজার রাধামাধব হাইস্কুল ও মানবাজার উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষার প্রথম দিনে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ ভূমিকায় দেখা গেল মানবাজার পুলিশ প্রশাসনকে। এদিন কলম দিয়ে তাঁরা উৎসাহিত করলেন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের। বিশেষ উপহার পেয়ে খুশি পরীক্ষার্থীরা। উপস্থিত ছিলেন মানবাজার এসডিপিও, মানবাজার থানার ওসি সহ পুলিশ আধিকারিকরা।
বরাবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রত্যেক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কলম ও জলের বোতল দিয়ে সহায়তা করতে দেখা যায় এদিন। শুধু তাই নয় ছাত্র-ছাত্রীরা যদি কোনরকম অসুস্থতা বোধ করে তার জন্য মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি।
Post Comment